আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৬ মার্চ ২০২৬, ১০:০৫ পিএম
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানিয়েছেন, ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর মালয়েশিয়ার জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ইরান ছাড়াও মিশর, তুরস্কসহ এ অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এ নিয়ে তিনি আলোচনা করেছেন।
এখন পর্যন্ত মালয়েশিয়া সর্বশেষ দেশ হিসেবে তাদের জাহাজ চলাচলের অনুমতির কথা জানাল।
এর আগে বাংলাদেশ, ভারত, চীন ও জাপানসহ ছয়দেশের জাহাজ এই জলপথ ব্যবহার করতে পারবে বলে জানিয়েছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি বুধবার (২৫ মার্চ) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, ‘হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি; সেখানে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক রাষ্ট্র আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং অনুরোধ জানিয়েছে। তাদের মধ্যে অনেক দেশকে আমরা মিত্র হিসেবে বিবেচনা করি।”
ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা খবরে দেখেছেন, চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক এবং ভারত... কয়েক রাত আগে ভারতের দুটি জাহাজ এখান দিয়ে গেছে, এবং আরও কিছু দেশ, এমনকি বাংলাদেশও, আমার বিশ্বাস। এসব দেশ আমাদের সাথে কথা বলেছে ও সমন্বয় করেছে এবং যুদ্ধের পরও ভবিষ্যতে এটি অব্যাহত থাকবে।’
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত সাঈদ কোযেচি জানিয়েছেন, ‘ইরানের সাথে আগে থেকে সমন্বয় করলে দক্ষিণ কোরিয়ার জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে পারবে।
এ জন্য সিউলকে তাদের জাহাজগুলোর তথ্য ইরানকে দিতে বলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের জেরে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহনের সমুদ্র পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এতে জ্বালানির আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে এবং জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে।
সূত্র: বিবিসি
এমএইচআর