আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৫ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৩ এএম
পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের মধ্যেই আমেরিকার প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা এলব্রিজ কোলবি ভারতে সফরে এসেছেন।
দিল্লি পৌঁছে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এক সম্মেলনে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আমেরিকার গর্বিত হওয়ার মতো কৌশলগত ঐতিহ্য রয়েছে।
ভারতের সিদ্ধান্ত এবং পদক্ষেপের ওপর ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভবিষ্যত নির্ভর করছে। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক ভূমিচিত্রও অনেকটাই নির্ভরশীল।
আমেরিকার বক্তব্য, কোলবির সফরের উদ্দেশ্য দু’দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সমঝোতার যুক্তিগ্রাহ্য, সমন্বয়পূর্ণ কাঠামো তৈরি করা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির যৌথ বিবৃতিতে নির্ধারিত লক্ষ্যগুলিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং আমেরিকা-ভারত প্রতিরক্ষা অংশীদারির কাঠামো বাস্তবায়নের ওপর কোলবির এই সফর মূলত কেন্দ্রীভূত থাকবে।
কূটনৈতিক শিবিরের মতে, এলব্রিজের এই সফর পূর্ব নির্ধারিত আলোচ্যসূচির ওপরেই ভিত্তি করে হচ্ছে। তার সঙ্গে সরাসরি পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের কোনও সম্পর্ক নেই।
কিন্তু এমন সময়ে তিনি এলেন, যখন পাকিস্তান ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের মধ্যস্থতার দাবি করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের হাতে এমন কিছুই নেই যাতে ইরান এবং ইসরায়েলকে মধ্যস্থতার টেবিলে বসাতে পারে।
এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা বলেন, আগে নরেন্দ্র মোদি নিজেকে বিশ্বগুরু বলতেন! দাবি করতেন, তিনি একাই শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারেন। আর এখন অবস্থা কী, তা সবাই জানেন।
সিপিএম-এর রাজ্যসভার এমপি জন ব্রিটাস তার প্রশ্নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লিখিত উত্তরকে চিহ্নিত করে বলেছেন, ভারত ১২০ মিলিয়ন ডলার ইতিমধ্যেই ইরানের চাবাহার বন্দরে বিনিয়োগ করে ফেলেছে, যাতে আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ায় কৌশলগত সংযোগ তৈরি করা যায়।
এখন সরকার নিজেই আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার নিরিখে অনিশ্চয়তার কথা স্বীকার করছে। ভারতের কৌশলগত স্বার্থ বাইরের রাষ্ট্রের অনুমতির ওপর নির্ভরশীল থাকাটা ঠিক নয়।
-এমএমএস