images

আন্তর্জাতিক

ইরানের হামলার জন্য এবার ‘বি-১ বোমারু বিমান’ প্রস্তুত করছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১২ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম

ইরানের ভূগর্ভস্থ সামরিক ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভাণ্ডার ধ্বংস করার জন্য নিজেদের শক্তিশালী বি-১ বোমারু বিমানগুলোকে ‘বাংকার বাস্টার’ বোমায় সজ্জিত করছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে পেন্টাগন হয়তো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণের মতো ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোতে হামলা চালাতে এ ভারী বিমানগুলো পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১১ মার্চ) যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমান ঘাঁটির ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, অন্তত একটি মার্কিন বিমানবাহিনীর বি-১ বোমারু বিমানের মিসাইল লঞ্চার সরিয়ে সেখানে ‘জয়েন্ট ডাইরেক্ট অ্যাটাক মিউনিশনস’ (জেডিএএম) বা বাংকার বাস্টার বোমা বহনের উপযোগী করা হচ্ছে। 

সিএনএন বলছে, বি-১ বোমারু বিমানগুলো সাধারণত শত শত মাইল দূর থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে সক্ষম। কিন্তু বর্তমানে যে ‘জেডিএএম’ বোমা দিয়ে এগুলোকে সাজানো হচ্ছে, তা নিক্ষেপ করতে হলে বিমানটিকে লক্ষ্যবস্তুর মাত্র ২৫ মাইলের মধ্যে থাকতে হয়। এর অর্থ হলো, মার্কিন বিমানবাহিনী এখন সরাসরি ইরানের আকাশসীমার গভীরে ঢুকে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে।

image

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ইরানকে একটি পরিষ্কার বার্তা দিচ্ছে যে তাদের ভূগর্ভস্থ ‘মিসাইল সিটি’ বা ড্রোন ভাণ্ডারগুলো এখন আর নিরাপদ নয়।

অন্যদিকে ইরানের আকাশসীমার ভেতরে এই বিমান পাঠানো বেশ ঝুঁকিপূর্ণও বটে। অভিযানে একটি বিমান হারানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিশাল সামরিক ও মনস্তাত্ত্বিক ধাক্কা হয়ে দাড়াবে।

ফ্লাইটগ্লোবাল ডটকমের ‘ওয়ার্ল্ড এয়ার ফোর্সেস ২০২৬’ ডেটাবেজ অনুযায়ী, বর্তমানে মার্কিন বিমানবাহিনীর বহরে মাত্র ৪০টি বি-১ বোমারু বিমান রয়েছে। 

সূত্র: সিএনএন, গালফ নিউজ


এমএইচআর