আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কার্যত খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল ইরানের সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে জনসভা করার সময় বন্দুকধারীর হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছিলেন ট্রাম্প।
গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেলেও বিস্তর রক্তপাত হয়েছিল। রক্ত লেগেছিল ট্রাম্পের মুখেও। সেই ছবি দেখিয়ে ইরানের ওই সংবাদমাধ্যম লিখেছে, এবার আর লক্ষ্য ‘মিস্’ হবে না!
গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে গণবিক্ষোভে উত্তপ্ত ইরান। মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলনের অভিমুখ এখন ঘুরে গিয়েছে সে দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেকশিয়ানের দিকে।
বিক্ষোভ দমনে ইরান দমনপীড়নের রাস্তায় হাঁটলে তিনি পশ্চিম এশিয়ার এই দেশে সামরিক অভিযান চালানোর কথাও ভেবে রেখেছেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প।
এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের রক্তাক্ত মুখের ওই ছবি দেখিয়ে এবং ‘লক্ষ্যপূরণের’ বার্তা দিয়ে ট্রাম্পকে কার্যত খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। এই বিষয়ে অবশ্য এখন পর্যন্ত ইরান কিংবা আমেরিকা আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খোলেনি।
সংবাদসংস্থা এএফপি এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদন অনুসারে, ইরানের ওই টিভি চ্যানেলে ট্রাম্পের রক্তাক্ত মুখের ছবি দেখিয়ে পার্সি ভাষায় লেখা হয়, এবার আর এটা (বুলেট) লক্ষ্যে আঘাত হানতে ব্যর্থ হবে না।
ইরানের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ট্রাম্পের নাক গলানোকে’ ভাল ভাবে নিচ্ছে না তেহরান। এই আবহে সরকারি সংবাদমাধ্যমে এমন ছবি এবং বার্তা প্রচার করে ইরান ট্রাম্পকে সমঝে চলার বার্তা দিল বলে মনে করছেন কেউ কেউ।
আমেরিকার পেনসিলভেনিয়ায় ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিলেন এক যুবক। বন্দুক হাতে ট্রাম্পের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন ওই যুবক। গুলিও চালিয়েছিলেন।
অল্পের জন্য সেবার রক্ষা পেয়েছিলেন ট্রাম্প। গুলি তার কান ঘেঁষে বেরিয়ে গিয়েছিল। কান থেকে রক্তও ঝরেছিল বিস্তর। ওই বছরেরই শেষে হওয়া নির্বাচনে জিতে দ্বিতীয় বারের জন্য আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হন ট্রাম্প।
-এমএমএস