images

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশ-পাকিস্তান আলোচনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম

পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ক্রয়ের সম্ভাব্য বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর প্রধানদের আলোচনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত। 

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

গত সপ্তাহে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান মার্শাল হাসান মাহমুদ খানের ইসলামাবাদ সফরের সময় পাকিস্তান বিমান বাহিনীর (পিএএফ) এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিধুর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর জন্য পাকিস্তান-চীনের যৌথভাবে তৈরি অত্যাধুনিক জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমানের সম্ভাব্য ক্রয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভারতের অবস্থান জানতে চাইলে জবাবে মুখপাত্র জয়সওয়াল বলেন, ‘আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার উপর প্রভাব ফেলতে পারে এমন সকল উন্নয়নের ওপর আমরা নিবিড় নজর রাখছি’।

আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত এবং ভারতীয় আকাশসীমা ব্যবহারের জন্য ঢাকার নয়াদিল্লির অনুমতি প্রয়োজন কি না— এমন আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সঙ্গে বিদ্যমান বিমান পরিষেবা চুক্তি অনুযায়ী এই ধরণের বিষয়গুলি সমাধান করা হবে।’

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রসঙ্গে মুখপাত্র বলেন, ‘এর আগেও একাধিক ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে মন্তব্য করেছি। আমরা এখনো সংখ্যালঘুদের ওপর বারবার হামলার একটি উদ্বেগজনক ধারা লক্ষ্য করছি। বাংলাদেশে উগ্রবাদীদের দ্বারা সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপরও হামলা হচ্ছে। এ ধরনের সাম্প্রদায়িক ঘটনাগুলো দ্রুত ও কঠোরভাবে মোকাবিলা করা প্রয়োজন।’

জয়সওয়াল আরও বলেন, ‘এসব ঘটনাকে প্রায়ই অতীতের ব্যক্তিগত শত্রুতা, প্রতিশোধপরায়ণতা, রাজনৈতিক মতপার্থক্য কিংবা বাহ্যিক কারণের সঙ্গে যুক্ত করার একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা লক্ষ্য করছি। এই ধরনের অবহেলা কেবল চরমপন্থী এবং এই ধরনের অপরাধের অপরাধীদের সাহস জোগায় এবং সংখ্যালঘুদের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতিকে আরও গভীর করে তোলে।’

প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অনুপস্থিতির কারণে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচন ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ নয় কিনা?—এমন প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, ‘ভারত এখনো অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের পক্ষে সমর্থন জানায় ও এ বিষয়ে আহ্বান অব্যাহত রেখেছে— যাতে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দেখতে পাই।’


এমএইচআর