আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:৩৪ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ভিসানীতিতে বিপাকে পড়তে চলেছে মার্কিন সংস্থাগুলি।
বছরের শেষে তাদের ১৪০০ কোটি ডলার গুনতে হবে। এমনটাই দাবি করা হয়েছে ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘ফিনান্সিয়াল টাইমস’-এর প্রতিবেদনে।
এইচ-১বি ভিসা সংক্রান্ত নিয়মে বিস্তর বদল এনেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। জানানো হয়েছে, এখন থেকে এইচ-১বি ভিসার জন্য মার্কিন সংস্থাগুলির কাছ থেকে এক লাখ ডলার (১ কোটি ২০ লাখেরও বেশি) নেওয়া হবে।
রোববার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়ে গিয়েছে নতুন নিয়ম। ট্রাম্পের এই নয়া নীতি ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: হামাসকে অস্ত্র সমর্পণ করতে বললেন আব্বাস
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যাদের ইতিমধ্যেই এইচ-১বি ভিসা রয়েছে, তাদের দেশে পুনঃপ্রবেশের ক্ষেত্রে কোনও টাকা দিতে হবে না। অর্থাৎ যে সব ভিসাধারী এই মুহূর্তে বাইরে রয়েছেন, ফের আমেরিকায় ঢুকতে কোনও টাকা দিতে হবে না তাদের।
নিয়ম থাকবে আগের মতোই। তবে যারা নতুন করে এইচ-১বি ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের জন্যই সংশ্লিষ্ট মার্কিন সংস্থা এক লাখ ডলার দেবে সরকারকে।
এইচ-১বি ভিসার বিরুদ্ধে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রধান অভিযোগ, এর জন্য মার্কিন নাগরিকেরা বঞ্চিত হচ্ছেন। বিদেশিদের কারণে চাকরি যাচ্ছে আমেরিকানদের।
আরও পড়ুন: ফিলিস্তিনকে এবার স্বীকৃতি দিলো বেলজিয়াম
সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, আমেরিকায় ২০০৩ সালে এইচ-১বি ভিসাধারী তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর সংখ্যা ছিল ৩২ শতাংশ। এখন তা বেড়ে ৬৫ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে।
সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মার্কিন নাগরিকদের বেকারত্ব। এই সব পরিসংখ্যান খতিয়ে দেখেই নয়া সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
প্রতি বছর প্রচুর বিদেশি এইচ-১বি ভিসা নিয়ে আমেরিকার তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত সংস্থায় কাজ করতে যান। এ খাতে প্রায় ৫ লাখ ভারতীয় এই মুহূর্তে আমেরিকায় কর্মরত। আমেরিকা বছরে যত এইচ-১বি ভিসা দেয়, তার ৭০ শতাংশের বেশি ভারতীয়দের ঝুলিতে আসে।
মার্কিন প্রশাসনই জানাচ্ছে, গত বছর সব মিলিয়ে ১ লাখ ৪১ হাজারের বেশি এইচ-১বি ভিসা দেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদপত্রের রিপোর্টে দাবি, এই ধারাই যদি বজায় থাকে, তা হলে বছরের শেষে মার্কিন সংস্থাগুলিকে ১৪০০ কোটি ডলার গুনতে হবে।
-এমএমএস