Dhaka Mail Logo

আন্তর্জাতিক

জামিন পেলেন ইমরান খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২২ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৫:২২ পিএম

পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী  শাহ মাহমুদ কুরেশির জামিন অনুমোদন করেছে। শুক্রবার তারা এ গ্রেফতার পরবর্তী জামিন পান। 

পিটিআই দলের এ দু’নেতাই কূটনৈতিক বার্তা প্রকাশের মামলায় আদিয়ালা জেলে বন্দী আছেন। পাকিস্তানের শীর্ষ আদালত তাদের প্রত্যেককে ১০ লাখ রুপির জামানত বন্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

আরও পড়ুন: কারাগারে থেকেই তিন আসনে লড়বেন ইমরান খান

বিচারপতি সরদার তারিক মাসুদের নেতৃত্বে এবং বিচারপতি আতহার মিনাল্লাহ ও সৈয়দ মনসুর আলি শাহের সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ জারি করেছে। তারা পিটিআই দলের আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

১৩ ডিসেম্বর ইসলামাবাদ হাইকোর্ট তাদের (ইমরান খান ও  শাহ মাহমুদ কুরেশি) জেলের মধ্যে বিচার বাতিল এবং অকার্যকর ঘোষণা করার পর, অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ২০২৩-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত বিশেষ আদালত এ দু’নেতোর বিরুদ্ধে কূটনৈতিক বার্তা প্রকাশের মামলার অভিযোগ এনেছিল।

এরপর উভয় রাজনীতিবিদই আবেদন করেন যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কূটনৈতিক বার্তার অপব্যবহারের অভিযোগে তারা দোষী নন।

শুক্রবার আদালতের কার্যক্রম চলাকালীন ইমরান খান ও শাহ মাহমুদ কুরেশির বিষয়ে ২৩ অক্টোবরের অভিযোগের বিরুদ্ধে আবেদনের শুনানি করে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট।

শুনানির শুরুতে বিচারপতি মাসুদ জানান, যে অভিযোগটি চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল তা ইতোমধ্যেই ২১ নভেম্বর ইসলামাবাদ হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আমিরাতের উপহারে কৃত্রিম বৃষ্টি ঝরাল পাকিস্তান!

এ কারণে এই মামলায় ইমরান খান ও শাহ মাহমুদ কুরেশির বিষয়ে ২৩ অক্টোবরের অভিযোগও বাতিল হয়ে যায় এবং বিচার আবার পরিচালিত হয়।

বিচারপতি মাসুদ বলেছেন, নতুন অভিযোগটি ইসলামাবাদ হাইকোর্ট কর্তৃক অবৈধ ঘোষণা করার আগের কার্যধারার দ্বারা প্রভাবিত হবে না।

এ সময় পাকিস্তানের সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর আইনজীবী হামিদ খান যুক্তি দেন যে আগের চার্জশিটেই বিচার হচ্ছে।

বিচারপতি মাসুদ উল্লেখ করেছেন যে পুরানো চার্জশিটের বিরুদ্ধে আবেদনটি নিষ্ফল হয়ে গেছে। বিচারক আইনজীবীকে বলেন, ‘যদি নতুন অভিযোগে আপনার আপত্তি থাকে তাহলে উচ্চ আদালতে তা চ্যালেঞ্জ করুন।’

এ কারণে আইনজীবী হামিদ খান কূটনৈতিক বার্তা প্রকাশের মামলায় ক্যামেরা ট্রায়ালের বিরুদ্ধে আজ ইসলামাবাদ হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে আদালতকে অনুরোধ করেছিলেন।

ইমরান খানের অন্য আইনজীবী ব্যারিস্টার সালমান সফদার বলেছেন, হামিদ তার আবেদনে সংশোধনী এনেছেন। তিনি আদালতকে এটিকে নতুন হিসেবে নেওয়ার অনুরোধ করেছেন।

এরপর আদালত অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানি মুলতবি করে জামিন আবেদন গ্রহণ করেন।

সূত্র : ডন, জিও নিউজ

এমইউ