images

আন্তর্জাতিক

১১ দিন পার, কবে উদ্ধার হবেন টানেলে আটকা ৪১ শ্রমিক?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২২ নভেম্বর ২০২৩, ০৬:০৮ পিএম

ভারতের উত্তরাখন্ডের উত্তরকাশীর টানেল ধসে তার মধ্যে আটকা পড়েছে ৪১ জন শ্রমিক। এরই মধ্যে ১১দিন পার হলেও তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। যদিও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন ও খাবার সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। কবে নাগাদ তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হতে পারে সেটি জানিয়েছে ভারত সরকার।

ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, পরিকল্পনা মোতাবেক সব কাজ এগোলে, খননযন্ত্রের সাহায্যে আগামী দু’দিনে আটকে পড়া সকলকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে। কিন্তু প্রাথমিক পরিকল্পনা সফল না হলে উদ্ধারকাজ বিলম্বিত হলে ১৫ দিন সময় লেগে যেতে পারে। এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই।

ভারতের সড়ক পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সচিব অনুরাগ জৈন জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের খননযন্ত্র অগারের মাধ্যমেই শ্রমিকদের দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে তিন দিনের মধ্যেই ৪১ জনকে উদ্ধার করা যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: ২৩ দিনে হবে ৩৮ লাখ বিয়ে, খরচ ৫ লাখ কোটি!

এর পাশাপাশি অনুরাগ জানান, উদ্ধারকাজের জন্য আরও পাঁচটি আলাদা পরিকল্পনা করা হয়েছে। কিন্তু সেক্ষেত্রে ওই ৪১ জনকে নিরাপদে বাইরে বার করে আনতে ১২ থেকে ১৫ দিন সময় লেগে যেতে পারে।

উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটক শ্রমিকদের খিচুড়ির পর মঙ্গলবার রাতের খাবারে দেওয়া হয়েছে পোলাও, মটর পনির এবং দু’টি করে রুটি। শ্রমিকদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই খাবারের ধরনে বদল আনা হচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে পাইপের ভিতর দিয়ে প্রায় দেড়শোটি খাবারের প্যাকেট শ্রমিকদের কাছে পাঠানো হয়।

খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাতে ৬ ইঞ্চির খাবার সরবরাহকারী একটি পাইপের মাধ্যমে সুড়ঙ্গের ভিতরে খাবারের প্যাকেট পাঠানোর পাশাপাশি দেওয়া হচ্ছে ফলও।

সঞ্জিত রানা নামে এক রাঁধুনি বলেন, ‘চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানেই সমস্ত রান্না করেছি। হজম করতে অসুবিধা হবে না এমন খাবারই রান্নার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কম তেল-মশলা দিয়ে পোলাও এবং মটর পনির রান্না করেছি। মাখন দিয়ে রুটিও বানিয়েছি।’

আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশে হালাল ট্যাগযুক্ত পণ্য নিষিদ্ধ

উদ্ধারকাজের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে জানতে বুধবার সকালে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামীকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

১২ নভেম্বর সকালে ব্রহ্মখাল-য়ামুনোত্রী মহাসড়কে নির্মাণাধীন টানেলে এই ধসের ঘটনা ঘটে। তারপর থেকেই শ্রমিকদের উদ্ধারে ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে এগিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। কিন্তু এখনো তাদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তবে ক্যামেরায় ধরা পড়েছে ৪১ জন শ্রমিকের আতঙ্কিত চেহারা। তারা এখনো জীবিত আছেন।

একে