Dhaka Mail Logo

অভিবাসন

ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন করবেন যেভাবে

অভিবাসন ডেস্ক

২৭ জুন ২০২৬, ১১:৩২ এএম

দীর্ঘ দুই বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আবারও পর্যটন (ট্যুরিস্ট) ভিসা চালু করছে ভারত। আগামী ২৮ জুন থেকে এই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। পাঠকদের সুবিধার্থে আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট তথ্যাবলি নিচে তুলে ধরা হলো-

ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া ও কেন্দ্র

আগামী ২৮ জুন থেকে দেশের পাঁচটি ভারতীয় ভিসা আবেদনকেন্দ্রে (IVAC) ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন গ্রহণ করা শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেটের কেন্দ্রগুলোতে এই সেবা পাওয়া যাবে।

Indian-tourist-visa-required-documents

কেন্দ্রগুলোর ঠিকানা ও যোগাযোগ:

ঢাকা: যমুনা ফিউচার পার্ক, জি-১ ফ্লোর, সাউথ কোর্ট, প্রগতি সরণি, বারিধারা। ফোন: 09612 333 666, 09614 333 666

চট্টগ্রাম: সিটি সেন্টার, দ্বিতীয় তলা, সিডিএ অ্যাভিনিউ, পূর্ব নাসিরাবাদ। ফোন: 02-334453100

রাজশাহী: মরিয়ম আলী টাওয়ার, প্রথম তলা, বর্ণালী মোড়। ফোন: 0721-812534, 0721-812535

খুলনা: রাহাত সেন্টার, ৭১ (নতুন), সৈয়দ আলী হোসেন সড়ক, ছোট বয়রা। ফোন: +880 247 8845500

সিলেট: রহিম টাওয়ার, সোবহানীঘাট, বিশ্বরোড। ফোন: 0821-719273

ece6730d-7c55-471d-92ef-f8c41e9bb43c

ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা পাওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া

প্রথমে ভারতের অনলাইন ভিসা পোর্টালে প্রবেশ করে ‘রেগুলার ভিসা অ্যাপ্লিকেশন’ অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। এরপর দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ও ভিসার ধরন হিসেবে ‘ট্যুরিস্ট ভিসা’ বেছে নিয়ে পাসপোর্ট অনুযায়ী নির্ভুল ব্যক্তিগত তথ্য, পাসপোর্টের বিবরণ এবং ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্য পূরণ করতে হবে। আবেদন সম্পন্ন হলে প্রাপ্ত ‘ওয়েব ফাইল নম্বর’ বা ‘অ্যাপ্লিকেশন আইডি’ ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। সবশেষে নির্ধারিত নিয়মে সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ডিজিটাল ছবি আপলোড করে আবেদনপত্র প্রিন্ট করে স্বাক্ষর করতে হবে। অনলাইন আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর আইভ্যাকের পেমেন্ট পোর্টালের মাধ্যমে প্রসেসিং ফি পরিশোধ করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে।

ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা পেতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস

পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ছয় মাস থাকতে হবে এবং অন্তত দুটি খালি পৃষ্ঠা থাকতে হবে।

আগের কোনো পাসপোর্ট থাকলে তা অবশ্যই জমা দিতে হবে।

সাম্প্রতিক রঙিন ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের কপি এবং বর্তমান ঠিকানার প্রমাণপত্র।

image-35568-1782391852

পেশাভিত্তিক নথি: চাকরিজীবীদের জন্য এনওসি (NOC), ব্যবসায়ীদের জন্য হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আইডি কার্ড বা সনদ।

আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ: গত ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, অথবা ন্যূনতম ১৫০ মার্কিন ডলারের এন্ডোর্সমেন্ট, অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের কপি।

ইন্ডিয়ান ভিসা রিজেক্ট হতে না চাইলে করণীয়

অনলাইন আবেদন জমা দেওয়ার পর আর কোনো তথ্য সংশোধনের সুযোগ থাকে না। তাই নাম, ঠিকানা, জন্মতারিখ ও পাসপোর্ট নম্বরসহ সব তথ্য একাধিকবার সতর্কভাবে যাচাই করে আবেদন জমা দেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রক্রিয়ায় নতুন নির্দেশনা

ভিসার রেজাল্ট পাওয়ার সময়

আবেদন জমা দেওয়ার পর সাধারণত ন্যূনতম তিন কার্যদিবস সময় লাগে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে। তবে নথিপত্র যাচাই বা বিশেষ পরিস্থিতির কারণে সময় কিছুটা বেশি লাগতে পারে। ভিসা প্রস্তুত হলে মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে এবং পরবর্তীতে পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যাবে।

এজেড