নিজস্ব প্রতিবেদক
০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে রাজধানীর চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন (বিএসএম)। এ কর্মসূচিতে ১২০০-এর বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (৩ নভেম্বর) বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের উদ্যোগে এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ ইন্টারনাল মেডিসিন ইন্টারেস্ট গ্রুপের (ডিএমসি আইএমআইজি) সহযোগিতায় গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, এ কে স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ইপিএইচ স্কুল অ্যান্ড কলেজে একযোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. হালিমুর রশীদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাকি মোহাম্মদ জাকিউল আলম এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের ঢাকা মেডিকেল কলেজ শাখার সদস্যসচিব অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাকারিয়া-আল-আজিজ।

এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক বক্তব্য দেন অধ্যাপক ডা. মো. হালিমুর রশীদ। তিনি ডেঙ্গুর সংক্রমণ, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, ব্যক্তিগত সুরক্ষা এবং আক্রান্ত হলে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি নিজেদের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের অন্যদের মধ্যেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গুর সাধারণ ও বিপজ্জনক লক্ষণ, রোগ প্রতিরোধ এবং সময়মতো চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়ে ধারণা দেওয়া হয়। বাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে জমে থাকা পানি অপসারণ, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১২০০-এর বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে বিতরণ করা লিফলেটে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, রোগের লক্ষণ, বিপজ্জনক লক্ষণ এবং আক্রান্ত হলে করণীয় সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরা হয়।
চিকিৎসকেরা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবার ও সমাজে ডেঙ্গু প্রতিরোধেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা বৃহত্তর সমাজে ছড়িয়ে দিতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন।
এসএইচ/এআর