Dhaka Mail Logo

হেলথ

কিডনি রোগীদের ডেঙ্গু চিকিৎসায় সমন্বিত সিদ্ধান্তের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম

কিডনি রোগে আক্রান্ত কেউ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে তার চিকিৎসা তুলনামূলক জটিল হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে শরীরে তরলের ভারসাম্য রক্ষা, কিডনির কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ, রক্তক্ষরণজনিত জটিলতা মোকাবিলা এবং ডায়ালাইসিসের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণে চিকিৎসকদের সতর্ক ও সমন্বিত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজির (নিকডু) মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে য় তারা এসব কথা বলেন। নিকডু ও নিকডু শিক্ষক সমিতি যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।

সভায় কিডনি রোগীদের ডেঙ্গু সংক্রমণের ক্ষেত্রে ঝুঁকি মূল্যায়ন, তরল ব্যবস্থাপনা, কিডনির কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ, ডেঙ্গুর বিভিন্ন জটিলতা এবং প্রয়োজন হলে ডায়ালাইসিস দেওয়াসহ চিকিৎসার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

বক্তারা বলেন, আগে থেকেই কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ডেঙ্গু হলে চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। এ ধরনের রোগীর তরল ব্যবস্থাপনা, কিডনির কার্যকারিতা ও রক্তক্ষরণজনিত জটিলতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কখন ডায়ালাইসিস প্রয়োজন, সে বিষয়েও রোগীর অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এ ধরনের রোগীর চিকিৎসায় নেফ্রোলজি, ইউরোলজি ও মেডিসিনসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা জটিলতা মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নেফ্রোলজি বিভাগের ডা. আল মাহমুদ। প্রবন্ধে কিডনি রোগে আক্রান্ত ডেঙ্গু রোগীদের আধুনিক, নিরাপদ ও সময়োপযোগী চিকিৎসা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

নিকডু শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. মশিউর আরেফিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিকেডি হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল ইসলাম, নিকডুর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. রাশেদ আনোয়ার এবং নেফ্রোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. আ ন ম এহসানুল করিম।

আলোচনা শেষে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি হাসপাতালের বহির্বিভাগের সামনে থেকে শুরু হয়ে আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ করে জরুরি বিভাগের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

এতে পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. কবির আলমসহ নেফ্রোলজি, ইউরোলজি, পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি ও প্যারা-ক্লিনিক্যাল বিভাগের তিন শতাধিক চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

এমএইচ/