Dhaka Mail Logo

হেলথ

বন্যা পরিস্থিতি: তৃণমূলে ২১ হাজার অ্যান্টি-স্নেক ভেনম মজুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম

বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে দেশের বিভিন্ন জেলা। এতে বেড়েছে সাপের উপদ্রব। এ পরিস্থিতিতে বন্যা মোকাবিলায় তৃণমূল পর্যায়ে ২১ হাজার অ্যান্টি-স্নেক ভেনম মজুদ রয়েছে। এ ছাড়া কেন্দ্রীয়ভাবে মজুদ রয়েছে ১ হাজার অ্যান্টি-স্নেক ভেনম। মাঠপর্যায়ে কলেরার স্যালাইন রয়েছে ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৮৭৯টি।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মাঠপর্যায়ে খাবার স্যালাইন রয়েছে ৭৫ লাখ ৮৫ হাজার ২৯৯ প্যাকেট। পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট রয়েছে ৩৬ লাখ ১৯ হাজার ৫৭২টি। ডেঙ্গু কিট (সিডিসি) রয়েছে ৪৪ হাজার ১৭৫টি এবং কেন্দ্রীয়ভাবে ডেঙ্গু কিট (সিডিসি) মজুদ রয়েছে ৭৫ হাজার ৭৪৫টি। সিএমএমসিতে নরমাল স্যালাইন মজুদ রয়েছে ৯৯ হাজার ৯৯৫ ব্যাগ। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি উপজেলা ও জেলায় প্রয়োজনীয়সংখ্যক মেডিকেল টিম গঠন করে দুর্গত এলাকায় পাঠানো হয়েছে। এসব টিম প্রাথমিক চিকিৎসা, পানিবাহিত রোগের চিকিৎসা, ওষুধ ও ওরস্যালাইন বিতরণ এবং পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করছে। মনোনীত ফোকাল পারসনরা কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা সমন্বয় রক্ষা করছেন।

দেশের উত্তরাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া স্থায়ী পদক্ষেপ তুলে ধরে সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামে বন্যা দেখা দেওয়ার পরপরই তাৎক্ষণিক ত্রাণ পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিবছর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে সরাসরি আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক পরিস্থিতি এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মৌসুমি রোগের তথ্যপ্রবাহ সম্পর্কে তিনি বলেন, জাতীয় স্বাস্থ্য বাতায়নের আওতাধীন ১৬২৬৩ হেল্পলাইন ২৪ ঘণ্টা চালু রয়েছে। সেখানে সার্বক্ষণিক চিকিৎসকেরা সেবা দিচ্ছেন। আগে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের তথ্য জেলা পর্যায় থেকে বিচ্ছিন্নভাবে এলেও এখন তা কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যসচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এসএইচ/এআর