images

হেলথ

ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট, প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ব্যাচ সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৮ জুন ২০২৬, ১১:২৮ পিএম

ডেঙ্গু মোকাবিলায় চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করেছে স্বাস্থ্যবিভাগ। এরই ধারাবাহিকতায় ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্টে জাতীয় প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের দ্বিতীয় ব্যাচ সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) শহীদ ড. মিলন হলে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন, রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এই ব্যাচের কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের মেম্বার সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া-আল-আজিজ।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের চিফ অব হেলথ ড. মালালাই আহমাদজাই।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের সায়েন্টিফিক সাব-কমিটির মেম্বার সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. মো. শাহাবুল হুদা চৌধুরী।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের জয়েন্ট কনভেনর ড. আহমেদ মনজুরুল আজিজ।

এই দ্বিতীয় ব্যাচে বিশেষভাবে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং কর্পোরেট হাসপাতালের চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে — যা সরকারি খাতের গণ্ডি ছাড়িয়ে বাংলাদেশের সামগ্রিক চিকিৎসা কর্মীবাহিনীর কাছে প্রমাণভিত্তিক মানসম্পন্ন ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনার জ্ঞান পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

২০২৩ সালে বাংলাদেশে ৩,২১,১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন এবং ১,৭০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০২৪ সালে ১,০১,২১৪ জন আক্রান্ত এবং ৫৭৫ জনের মৃত্যু, এবং ২০২৫ সালে ১,০২,৮৬১ জন আক্রান্ত এবং ৪১৩ জনের মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে — যা নিশ্চিত করে যে ডেঙ্গু এখন বাংলাদেশে একটি সারা বছরব্যাপী জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থায় পরিণত হয়েছে।¹ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে ৭ জুন ২০২৬ তারিখে সূচিত এই ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স কার্যক্রমের লক্ষ্য হলো দেশের প্রতিটি চিকিৎসক যাতে জাতীয় প্রোটোকল অনুযায়ী ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত, ট্রাইয়াজ এবং ব্যবস্থাপনায় যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত হন তা নিশ্চিত করা।

বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে, যাতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সুন্দরভাবে পরিচালনা করা যায়। ইউনিসেফ বাংলাদেশ এই কার্যক্রমে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে।

এসএইচ/এআর