images

হেলথ

প্রতিবন্ধিতা খাতে ইতিবাচক উদ্যোগের সঙ্গে প্রয়োজন পেশাদারত্ব

১৬ মে ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

বাংলাদেশে প্রতিবন্ধিতা ও অটিজম বিষয়ে সচেতনতা গত এক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে যে বিষয়গুলো পরিবারগুলো লজ্জা, ভয় কিংবা সামাজিক সংকোচের কারণে আড়ালে রাখত, এখন সেগুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আইন, নীতি, ভাতা, শিক্ষা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের কথাও আগের তুলনায় বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বর্তমান সরকারও প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, যা অবশ্যই প্রশংসনীয়।

তবে এই ইতিবাচক পরিবর্তনের পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতাও সামনে এসেছে। প্রতিবন্ধিতা ও অটিজম খাত এখন অনেক ক্ষেত্রে “সেবামূলক” ক্ষেত্রের পাশাপাশি “ব্যবসায়িক সুযোগ” হিসেবেও দেখা হচ্ছে। ফলে রাতারাতি অসংখ্য ব্যক্তি নিজেকে “অটিজম বিশেষজ্ঞ”, “থেরাপিস্ট” কিংবা “বিশেষ শিক্ষা বিশেষজ্ঞ” হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পর ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে তথাকথিত “স্পেশাল স্কুল”, “থেরাপি সেন্টার” ও “অটিজম কেয়ার সেন্টার”। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের একটি বড় অংশে নেই পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত জনবল, নেই মানসম্মত সেবা, নেই কার্যকর মনিটরিং। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো—অনেক ক্ষেত্রে অসহায় অভিভাবকদের আবেগ ও অজ্ঞতাকে পুঁজি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

অটিজম ও প্রতিবন্ধিতা: মানবিক বিষয়, ব্যবসার ক্ষেত্র নয়
একজন অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু কিংবা প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জীবন শুধু একটি চিকিৎসা বা থেরাপির বিষয় নয়; এটি শিক্ষা, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, মানবাধিকার, পারিবারিক সহায়তা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিষয়। এই খাতে কাজ করার জন্য প্রয়োজন বিশেষায়িত জ্ঞান, পেশাগত নৈতিকতা, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং গভীর মানবিকতা।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে বর্তমানে এমন অনেক ব্যক্তি দেখা যায় যারা কয়েক দিনের একটি প্রশিক্ষণ, একটি সার্টিফিকেট বা বিদেশ সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে নিজেকে “জাতীয় বিশেষজ্ঞ” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আকর্ষণীয় প্রচারণা চালিয়ে অভিভাবকদের বিভ্রান্ত করছেন। বাস্তবে যাদের অনেকেরই নেই বিশেষ শিক্ষা, স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, বিহেভিয়ার ম্যানেজমেন্ট বা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজির উপর কোনো স্বীকৃত ডিগ্রি।

অভিভাবকরা যখন সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকেন, তখন তারা সহজেই বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির ফাঁদে পড়ে যান। “ছয় মাসে কথা বলবে”, “এক বছরে স্বাভাবিক হয়ে যাবে”, “বিশেষ থেরাপিতে অটিজম দূর হবে”—এ ধরনের বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা শুধু অনৈতিকই নয়, এটি এক ধরনের প্রতারণা। 

42625

স্পেশাল স্কুল ও থেরাপি সেন্টারের অনিয়ন্ত্রিত বিস্তার: 
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য বিশেষ বিদ্যালয় ও থেরাপি সেন্টার গড়ে উঠেছে। কিছু প্রতিষ্ঠান সত্যিই নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছে, দক্ষ পেশাজীবী নিয়োগ দিচ্ছে এবং শিশুদের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। কিন্তু একই সঙ্গে এমন বহু প্রতিষ্ঠানও রয়েছে যেগুলোর নেই কোনো নিবন্ধন, নেই মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, নেই প্রশিক্ষিত শিক্ষক বা থেরাপিস্ট।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, একটি ছোট বাসা ভাড়া নিয়ে কয়েকটি চেয়ার-টেবিল বসিয়ে “অটিজম সেন্টার” খুলে ফেলা হচ্ছে। সেখানে কর্মরত ব্যক্তিদের অনেকেই হয়তো সদ্য কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করা বেকার তরুণ-তরুণী, যাদের কোনো পেশাগত প্রশিক্ষণ নেই। অথচ তাদের “থেরাপিস্ট” পরিচয়ে অভিভাবকদের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

এ ধরনের পরিস্থিতি শুধু প্রতারণাই নয়, এটি শিশুদের ভবিষ্যতের জন্যও ক্ষতিকর। কারণ ভুল থেরাপি, অনুপযুক্ত আচরণ ব্যবস্থাপনা বা অদক্ষ শিক্ষাদান অনেক সময় শিশুর উন্নয়নের পরিবর্তে আরও জটিলতা তৈরি করতে পারে।

বাংলাদেশে দক্ষ থেরাপিস্টের ঘাটতি বাস্তবতা:
বাংলাদেশে এখনো প্রয়োজনের তুলনায় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত থেরাপিস্টের সংখ্যা অত্যন্ত কম। স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট, অকুপেশনাল থেরাপিস্ট, বিহেভিয়ার থেরাপিস্ট, ফিজিওথেরাপিস্ট কিংবা বিশেষ শিক্ষকদের চাহিদা অনেক বেশি হলেও সেই অনুপাতে মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ ও জনবল তৈরি হয়নি।

এই বাস্তবতায় প্রশ্ন উঠছে—দেশজুড়ে এত বিপুল সংখ্যক থেরাপি সেন্টারে আসলেই কি প্রশিক্ষিত থেরাপিস্ট আছেন? নাকি অনেক জায়গায় শুধু নামের জন্য থেরাপি দেওয়া হচ্ছে?

বাস্তবে দেখা যায়, অনেক প্রতিষ্ঠানে একজন প্রশিক্ষিত পেশাজীবীর নাম ব্যবহার করে একাধিক শাখা পরিচালনা করা হয়। আবার কোথাও একজন দক্ষ থেরাপিস্টের অধীনে কয়েকজন অদক্ষ কর্মীকে “সহকারী থেরাপিস্ট” নামে কাজ করানো হয়। ফলে সেবার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সরকার যদি সত্যিই এই খাতকে উন্নত করতে চায়, তাহলে শুধু নতুন কেন্দ্র অনুমোদন দিলেই হবে না; দক্ষ জনবল তৈরির জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বিশেষ শিক্ষা, থেরাপি ও পুনর্বাসন বিষয়ে মানসম্মত কোর্স বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ, লাইসেন্সিং এবং পেশাগত মানদণ্ড নিশ্চিত করা জরুরি। 

42620

রাজনৈতিক প্রভাব ও অনিয়ম বন্ধ করা জরুরি:
অতীতে দেখা গেছে, প্রতিবন্ধিতা ও অটিজম খাতে অনেক সময় রাজনৈতিক পরিচয়, প্রভাব বা ব্যক্তিগত সম্পর্ক ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠান অনুমোদন, প্রকল্প গ্রহণ কিংবা আর্থিক সুবিধা নেওয়া হয়েছে।

মাঠপর্যায়ের কিছু অসাধু ব্যক্তি থেকে শুরু করে উচ্চপর্যায়ের প্রভাবশালী মহলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে উঠে এসেছে।

ফলে প্রকৃত সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক সময় উপেক্ষিত হয়েছে, আর অনভিজ্ঞ ও অযোগ্য ব্যক্তিরা সুবিধা পেয়েছেন। এটি শুধু অর্থনৈতিক দুর্নীতির বিষয় নয়; এটি একটি মানবিক খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করার বিষয়।

প্রতিবন্ধিতা খাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ এখানে সিদ্ধান্ত নিতে হবে শিশু ও পরিবারের প্রয়োজনের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থের ভিত্তিতে নয়।

মনিটরিং ও মান নিয়ন্ত্রণ এখন সময়ের দাবি: 
বর্তমানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা। একটি প্রতিষ্ঠান আসলেই মানসম্মত সেবা দিচ্ছে কি না, সেখানে প্রশিক্ষিত শিক্ষক ও থেরাপিস্ট আছেন কি না, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে কি না—এসব বিষয় নিয়মিত তদারকি করা প্রয়োজন।

সরকারি সংশ্লিষ্ট বিভাগ, সমাজসেবা অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শুধু কাগজে-কলমে অনুমোদন দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না।

নিম্নোক্ত বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন—
•    থেরাপিস্ট ও বিশেষ শিক্ষকদের জন্য বাধ্যতামূলক রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা
•    প্রতিষ্ঠানের মান যাচাইয়ের জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালা
•    নিয়মিত পরিদর্শন ও মূল্যায়ন 
•    অভিভাবকদের অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত ব্যবস্থা
•    ভুয়া সার্টিফিকেট ও প্রতারণার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
•    শিশু সুরক্ষা নীতিমালা বাধ্যতামূলক করা
•    থেরাপি ও শিক্ষার ফি নির্ধারণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা 

যেসব প্রতিষ্ঠান নিয়ম মানবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ একটি শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সুযোগ কারও থাকা উচিত নয়।

অভিভাবকদের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
অনেক অভিভাবক অটিজম বা প্রতিবন্ধিতা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকার কারণে সহজেই বিভ্রান্ত হন। কেউ “অলৌকিক উন্নতির” প্রতিশ্রুতি দিলে তারা আশাবাদী হয়ে পড়েন। এই সুযোগটিই নেয় কিছু অসাধু ব্যক্তি।

অভিভাবকদের বুঝতে হবে—অটিজম কোনো জাদুতে দূর হয়ে যায় না। সঠিক শিক্ষা, থেরাপি, পারিবারিক সহায়তা ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার মাধ্যমে শিশু ধীরে ধীরে উন্নতি করে। প্রতিটি শিশুর সক্ষমতা ও অগ্রগতি ভিন্ন।

সচেতন অভিভাবকই পারেন প্রতারণা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে। কোনো প্রতিষ্ঠান বেছে নেওয়ার আগে অভিভাবকদের উচিত—
•    প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন আছে কি না যাচাই করা 
•    শিক্ষক ও থেরাপিস্টদের যোগ্যতা সম্পর্কে জানা 
•    সেবার ধরন ও পরিকল্পনা বোঝা 
•    অন্যান্য অভিভাবকের অভিজ্ঞতা শোনা 
•    অতিরঞ্জিত প্রতিশ্রুতির ব্যাপারে সতর্ক থাকা 

চিকিৎসকদের মধ্যেও প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান:
বাংলাদেশে এখনো অনেক চিকিৎসক আছেন যাদের অটিজম বিষয়ে আধুনিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান সীমিত। কেউ কেউ এখনো অটিজমকে শুধু “দেরিতে কথা বলা” বা “দুষ্টুমি” হিসেবে দেখেন। আবার কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, সামান্য অভিজ্ঞতা নিয়েই কেউ “অটিজম বিশেষজ্ঞ” হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন।

অটিজম একটি নিউরোডেভেলপমেন্টাল বৈশিষ্ট্য, যা বোঝার জন্য বহুমাত্রিক জ্ঞান প্রয়োজন। শুধু একটি মেডিকেল ডিগ্রি থাকলেই অটিজম বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হওয়া যায় না। এজন্য প্রয়োজন আপডেটেড প্রশিক্ষণ, আন্তঃবিভাগীয় কাজের অভিজ্ঞতা এবং পরিবারকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি।

এখানে চিকিৎসক, মনোবিজ্ঞানী, বিশেষ শিক্ষক, থেরাপিস্ট ও অভিভাবকদের সমন্বিত কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাউকে ‘সবজান্তা’ ভাবার সুযোগ নেই।

প্রয়োজন পেশাজীবীদের মতামতের বাস্তবায়ন:
বাংলাদেশে অনেক দক্ষ বিশেষ শিক্ষক, থেরাপিস্ট, মনোবিজ্ঞানী ও অভিজ্ঞ সংগঠক রয়েছেন যারা দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

দুঃখজনকভাবে অনেক সময় প্রকৃত পেশাজীবীদের বাদ দিয়ে এমন ব্যক্তিদের সামনে আনা হয় যাদের মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা খুবই সীমিত। ফলে নীতি ও বাস্তবতার মধ্যে বড় ফাঁক তৈরি হয়।

প্রতিবন্ধিতা খাত উন্নত করতে হলে “শো-পিস” কার্যক্রমের চেয়ে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনায় গুরুত্ব দিতে হবে। আন্তর্জাতিক সেমিনার বা বড় বড় অনুষ্ঠানের পাশাপাশি গ্রামের একজন মা যেন সন্তানের জন্য মানসম্মত সেবা পান, সেটিই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।

মানবিক ও টেকসই ভবিষ্যতের প্রত্যাশা:
বাংলাদেশে প্রতিবন্ধিতা ও অটিজম বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি অবশ্যই ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষণ। বর্তমান সরকারের সদিচ্ছা ও নীতিগত উদ্যোগও আশাব্যঞ্জক। তবে এই খাতকে যদি সত্যিকার অর্থে মানবিক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও টেকসই করতে হয়, তাহলে এখনই কিছু কঠিন কিন্তু প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে হবে।  এজন্য প্রয়োজন—

  • মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা
  • ভুয়া বিশেষজ্ঞদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা
  • দক্ষ জনবল তৈরি করা
  • রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কমানো
  • কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা
  • পেশাজীবীদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া
  • অভিভাবকদের সচেতন করা

প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের জীবন কোনো ব্যবসার ক্ষেত্র নয়। তারা করুণা নয়, অধিকার চায়; প্রচারণা নয়, মানসম্মত সেবা চায়; প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব সহায়তা চায়।
রাষ্ট্র, সমাজ, পেশাজীবী ও পরিবার—সবাই একসঙ্গে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে তবেই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

লেখক: মো. মফিজুল ইসলাম, নির্বাহী পরিচালক, মুনফ্লাওয়ার অটিজম ফাউন্ডেশন।