নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:০৪ পিএম
রাজধানীসহ সারাদেশে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়তে থাকায় মশক নিধন কার্যক্রমে গতি আনার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর সায়েদাবাদে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মশক নিধন কার্যক্রম পরিদর্শন এবং ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান তিনি।
এ সময় মশা নিয়ন্ত্রণে সরকারের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি জানানোর পাশাপাশি জনসচেতনতার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, কিউলেক্স মশা ভয়াবহভাবে বেড়েছে এটা সত্য। মশার উপদ্রুপ বাড়ার পরে আমরা ক্ষমতায় এসেছি। আমাদের সরকারের বয়স মাত্র সাত দিন। শপথ নেওয়ার পর থেকে এ নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পরই আমরা কীভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে পারি, সে ব্যাপারে তৎপর হয়েছি।
তিনি বলেন, আমরা প্রতিরোধে গুরুত্ব দিচ্ছি। সে লক্ষ্যে আমাদের সক্ষমতার পুরোটা দিয়ে কাজ করছি। এর অংশ হিসেবেই আজ আমরা এখানে এসেছি, ওষুধের গুণগত মানটা দেখার জন্য। পুরোদমে ওষুধ ছিটানো শুরু হবে। মশাকে ও লার্ভা নিধন করার ওষুধ সেটার স্যাম্পল নিয়েছি পরীক্ষা করার জন্য।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, স্প্রে করলে মশার গায়ে পর্যন্ত যেতে হয়, না হয় মশাটা মরে না। জলপথ এবং স্থলপথ উভয় দিক থেকে মশা নিধন এবং প্রতিরোধ করা হবে। খালগুলোতে স্প্রে করার জন্য স্প্রিটবোডের ব্যবস্থা করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি। জলে-স্থলে মশা নিধনের জন্য ব্যাপক পরিসরে কাজ শুরু করবো, যাতে মশার পরিমাণ আর বৃদ্ধি পেতে না পারে।
তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক জায়গায় স্প্রে করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আশা করি, মশা প্রতিরোধ করতে পারবো। ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি। আমরা যত চেষ্টা করি, জনগণের কাছ থেকে একটি সহযোগিতা প্রয়োজন। টবের পানি, টায়ার ফেলে রাখা, পানি জমে থাকা; এগুলো এডিস মশার জন্ম স্থান। বাসা-বাড়ি পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আর বাসা-বাড়িতে স্প্রে করা কষ্টকর, সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাজ-কর্ম আজ থেকে শুরু হচ্ছে। আশা করি, আমরা সফল হবো।’
এসময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।
এসএইচ/এএস