images

হেলথ

বিএমইউয়ের স্নাতকোত্তর রেসিডেন্সি প্রোগ্রামে ই-লগ বুক চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম

বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) স্নাতকোত্তর রেসিডেন্সি প্রোগ্রামে ই-লগ বুক কার্যক্রম চালু হয়েছে। 

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) অফিসে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই তথ্য জানানো হয়।

পাইলটিং পর্যায়ে পাঁচটি বিভাগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়গুলো হলো মেডিসিন বিভাগ, জেনারেল সার্জারি বিভাগ, অ্যানেসথেসিয়া এ্যানালজেসিয়া অ্যান্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগ, রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগ এবং হেপাটোলজি (লিভার) বিভাগ। 

সভায় উপস্থিত ছিলেন- ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ডা. একেএম আখতারুজ্জামান, ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হাসান, সহকারী অধ্যাপক ডা. খালেদ মাহবুব মুর্শেদ প্রমুখ।

সভায় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, বিশ্ব প্রেক্ষাপটে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উচ্চতর শিক্ষা কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে হবে। অটোমেশনের এই যুগে উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষায় ই-লগ বুক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ই-গর্ভনেন্সের গুরুত্ব বিবেচনায় রেখে দেশের স্বার্থে বিএমইউতে ই-লগ বুক কার্যক্রমকে পূর্ণমাত্রায় সফল করতে হবে।

সভায় রেসিডেন্সি প্রোগ্রামকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ, চলতি বছরের মার্চ মাস থেকেই সকল বিভাগে ই-লগ বুক চালু, ই-লগ বুক চালুর সীমাবদ্ধতা ও জটিলতা নিরসনসহ বিষয়গুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে, শিগগিরই সকল বিভাগে ই-লগ বুক চালু করা হবে। এই কার্যক্রম পরিচালনায় আইসিটি অফিস জোরালোভাবে কাজ করছে। বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর। প্রতিটি ক্ষেত্রে ডিজিটাল ব্যবস্থার ব্যবহার বেড়েই চলেছে। 

এর ধারাবাহিকতায় কাগজের লগ বুকের পরিবর্তে ই-লগ বুক চালু করা হয়েছে। ই-লগ বুক একটি ডিজিটাল নথি বা সফটওয়্যারভিত্তিক রেকর্ড সিস্টেম, যেখানে কোনো কাজ, কার্যক্রম, উপস্থিতি বা দৈনন্দিন কার্যক্রম ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা যায়। ই-লগ বুক আধুনিক প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, শিক্ষকদের কার্যক্রম, দৈনিক কাজের বিবরণ ই-লগ বুকের মাধ্যমে সংরক্ষণ করা যায়। এতে কাগজের লগ বুকের মতো হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে এবং দীর্ঘদিন তথ্য সংরক্ষণ সম্ভব। 

বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ই-লগ বুক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি পরিবেশবান্ধব, কারণ কাগজের ব্যবহার কমে। তথ্য বিশ্লেষণ ও রিপোর্ট তৈরি সহজ হয়, ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ দ্রুত ও কার্যকর হয়। এছাড়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়।

এএইচ/এএইচ