Dhaka Mail Logo

হেলথ

ডেঙ্গুতে ১ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭২

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:০২ পিএম

এডিস মশাবাহিত জ্বর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত এক হাজার ৭০৩ জনের মৃত্যু হলো। এছাড়া গত একদিনে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭২ জন। 

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩২ জন। আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪০ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৭৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ২৮৯ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

আরও পড়ুন

বিনা পারিশ্রমিকে দেড় হাজার কিডনি প্রতিস্থাপনের রেকর্ড ডা. কামরুলের

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে এখন পর্যন্ত তিন লাখ ২১ হাজার ৭৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় এক লাখ ৯ হাজার ৯৭৩ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই লাখ ১১ হাজার ১০০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিন লাখ ১৮ হাজার ৬৩৬ জন। ঢাকায় এক লাখ আট হাজার ৭০৫ এবং ঢাকার বাইরে দুই লাখ নয় হাজার ৯৩১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

প্রতি বছর বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। এ বছর জুন মাস থেকে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর নাগাদ ডেঙ্গুর প্রকোপ কমে আসবে। তবে ডিসেম্বর মাসে এসেও ডেঙ্গুর ভয়াবহ প্রকোপ অব্যাহত আছে। চলতি বছর ডেঙ্গু অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে।

এর আগে, ২০১৯ সালে দেশব্যাপী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন। ওই সময়ে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীসহ প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া ২০২২ সালে ডেঙ্গু নিয়ে মোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এর মধ্যে গত বছর মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে ২৮১ জন মারা গেছেন।   

এমএইচএম