বিনোদন ডেস্ক
০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২১ পিএম
ক্যামেরার সামনে চঞ্চল চৌধুরী যেন শান দেওয়া ছুরি। চরিত্রকে জীবন্তে করার আশ্চর্য ক্ষমতা রয়েছে তার। ক্যারিয়ারের শুরুতেই ছোটপর্দার মাধ্যমে সবার মনোযোগ নিজের দিকে টেনেছিলেন অভিনেতা। বড়পর্দায় সাফল্য পেতেও তেমন ধৈর্য ধরতে হয়নি।
২০০৯ সালে গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘মনপুরা’ সিনেমার মাধ্যমে গোটা দেশ নেড়েচেড়ে দেন সোনাইরূপী চঞ্চল। দর্শক লুফে নেন পরী-সোনাইয়ের প্রেম। তাদের বিচ্ছেদে কাঁদেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। সামাজিক মাধ্যমেও টাটকা সে আবেদন। এবার ১৭ বছর পর চঞ্চল নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে সোনাই-পরীকে নিয়ে করলেন স্মৃতিচারণ।
আজ বুধবার নিজের ফেসবুকে তিনটি স্থিরচিত্র প্রকাশ করেছেন চঞ্চল। যার একটি মনপুরার পরী-সোনাইয়ের খুনসুটির মুহূর্ত। অন্য দুটির একটিতে চঞ্চল চৌধুরী ও তার পরিবার এবং তৃতীয়টিতে পরী চরিত্রে রূপদানকারী অভিনেত্রী ফারহানা মিলি ও তার স্বামী সন্তান।

অভিনেতা লিখেছেন, ‘‘সময়কাল ২০০৯….‘মনপুরা’ সিনেমা দেখিবার পর সোনাই-পরীর বিচ্ছেদ, সেইসঙ্গে পরীর আত্মহনন,সোনাইয়ের বেদনা ও কষ্টে অধিকাংশ দর্শকের চোখ ছলছল করিয়াছিল।’’
চঞ্চল মনে করেন সোনাই-পরীর মিলন হলে অগণিত দর্শকের মন ভাঙত না। লেখেন, ‘সোনাই-পরীর মিলন হইলো না বলিয়া,কত শত লক্ষ যুবক যুবতী হাহাকার করিয়াছে ইতিহাস তাহার স্বাক্ষী হইয়া আছে!বোধ করি,সোনাই-পরীর একটি ছোট্ট সংসার হইলেও শত কোটি দর্শক আনন্দিত হইতো।’
এরপর সোনাই-পরীর বাস্তবের সংসারের খবর দিয়েছেন অভিনেতা। লিখেছেন, ‘উহা সিনেমার পর্দায় সম্ভব না হইলেও,বাস্তবে সম্ভব হইয়াছে। বাস্তবে সোনাই এবং পরীর আলাদা আলাদা সংসার হইয়াছে,সন্তান হইয়াছে! সিনেমা যে বাস্তব নহে…. ইহাই একটি উৎকৃষ্ট প্রমাণ!’

নিজ নিজ সংসারে সুখে আছে সোনাই-পরী। তাদের জন্য দোয়া চেয়ে লিখেছেন, ‘সোনাই পরী এখন সংসার জীবনে দীক্ষিত দুইটি আলাদা সংসারী মানুষ। তাহাদের বতর্মান বাস্তবতার ছবি সাক্ষ্য সহকারে জনসমক্ষে প্রকাশ করিলাম। আপনারা তাহাদের সকলের জন্য দোয়া-আশীর্বাদ করিবেন।’
সবশেষে দর্শক-পরিচালকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে চঞ্চল চৌধুরী লেখেন, ‘এত বছর পরেও যে আপনারা সোনাই-পরীকে মনে রাখিয়াছেন,তাহার জন্য অসীম কৃতজ্ঞতা। অফুরন্ত কৃতজ্ঞতা নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিম মহোদয়কে,সোনাই-পরীর এরকম একটি উপাখ্যান ‘মনপুরা’ নির্মাণের জন্য।’
আরআর