Dhaka Mail Logo

বিনোদন

বিচ্ছেদের পর শেহতাজের প্রথম পোস্ট

বিনোদন ডেস্ক

১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম

নদীর জল যেমন শত বাধা পেরিয়ে নিজস্ব গতিতে বইতে থাকে, মানুষও তার সম্পর্কের টানাপোড়েন শেষে নতুন পথ খুঁজে নেয়। জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা প্রীতম হাসান এবং অভিনেত্রী শেহতাজ মনিরা হাশেম জুটি একসময় ভক্তদের হৃদয় জুড়িয়েছিল। কিন্তু সেই ভালোবাসার গল্পে এসেছে ইতি। সম্প্রতি বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন তারকা জুটি। ঘর ভাঙার খবরে দুইজনকে ঘিরে ভেসে আসছিল শত প্রশ্ন আর ভক্তদের কৌতূহল। অবশেষে নীরবতার পর্দা সরিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ফিরলেন শেহতাজ।

image

বিচ্ছেদের স্মৃতি পেছনে ফেলে শেহতাজ ছুটে গেছেন প্রকৃতির সান্নিধ্যে। সম্প্রতি অভিনেত্রী তাঁর ফেসবুকে একগুচ্ছ ছবি ভাগ করে নিয়েছেন। সেখানে দেখা যায়, খোলা প্রান্তর, বন্য পরিবেশের মাঝে সময় কাটাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসেবে ব্যবহার করেছেন, সেন্ট অ্যাভানজেলিন-এর ‘লিলিল’ গানটি।

image

সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান ও শেহতাজ দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক শেষে ২০২২ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। গেল ৪ অক্টোবর সামাজিক মাধ্যমে এক যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে তাঁরা বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। পোস্টে লিখেছিলেন, ‘আমি ও শাহতাজ পারস্পরিক বোঝাপড়ায় আমাদের দশ বছরের পথচলার পর আমাদের বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

image

এরপর লেখেন, ‘একসঙ্গে কাটানো সময়, স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার জন্য আমরা দুজনই কৃতজ্ঞ। একে অপরের প্রতি আমাদের সম্মান ও শুভকামনা সবসময়ই থাকবে। তবে সময়ের সঙ্গে আমরা উপলব্ধি করেছি যে, পারস্পরিক বোঝাপড়ার কিছু বড় পার্থক্যের কারণে আলাদা পথে এগিয়ে যাওয়া আমাদের দুজনের জন্যই ভালো হবে।’

image

প্রীতমের কথায়, ‘এই সিদ্ধান্তটি হঠাৎ করে নেওয়া নয়। অনেক ভেবেচিন্তে, নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে এবং পরিবারের সমর্থন ও সম্মতি নিয়েই আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি। বর্তমানে আমরা বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি এবং জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে আলাদাভাবে এগিয়ে যেতে চাই। এই পরিবর্তনের সময়টুকুতে আমাদের ব্যক্তিগত পরিসর, গোপনীয়তা ও অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য আমাদের বন্ধু, সহকর্মী এবং গণমাধ্যমের প্রতি আন্তরিক অনুরোধ রইল। আমরা আশা করি, বিষয়টি আমাদের দুজনের প্রতি সম্মান ও সহমর্মিতার সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।’

image

শেহতাজের ছবিগুলো প্রকাশের মাত্র ৫ ঘণ্টার মাথায় প্রায় সাড়ে ৩২ হাজার মানুষ রিয়্যাকশন দিয়েছেন। পাশাপাশি প্রায় ১১শ' জন নেতিজেন তাঁদের মন্তব্য প্রকাশ করেছেন।

ইএইচ/