Dhaka Mail Logo

বিনোদন

আমার মন্তব্য কাটিং করেছে, স্ত্রীকে দিয়ে পরোটা তৈরি বিতর্কে মুকিত

বিনোদন প্রতিবেদক

০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৩ এএম

রাত চারটায় ১০২ ডিগ্রি জ্বরে আক্রান্ত স্ত্রীর কাছে পরোটা ও মাংস খাওয়ার আবদার এবং অসুস্থ স্ত্রীকে দিয়ে তা বানিয়ে খাওয়ানোর ঘটনাকে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন মডেল ও অভিনেতা মুকিত জাকারিয়া।

যদিও অভিনেতার দাবি, তাঁর বক্তব্যটিকে খণ্ডিতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। যার রেশ ধরে অহেতুক সমালোচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সমালোচনার বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে ঢাকা মেইলকে অভিনেতা বলেন, ‘এগুলা সব বাড়াবাড়ি! আমার মন্তব্য কাটিং করেছে।’

সাংবাদিকতার পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই অভিনেতা বলেন, ‘বিষয়টা নিয়ে একটু বাড়াবাড়ি করেছে ওরা। আসলে কেন যে এমন সাংবাদিকতা করে আমি বুঝি না, আমার মাথায় আসে না। আমি তো ২৬ বছরের সংসার নিয়ে ওইভাবে কখনও বলিনি। কথা তো এরকম ছিল না।’

বিতর্কের কারণে মানসিকভাবে বেশ চাপে আছেন উল্লেখ করে মুকিত বলেন, ‘আমি আসলে মেন্টালি খুব ডিস্টার্ব আছি। রাতে ঠিকমতো ঘুমাতেও পারিনি।’

ভক্তদের নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ভক্তরা আমাকে খুবই ভালোবাসে। কিন্তু হঠাৎ করে এভাবে কেন সমালোচনা করছেন বুঝতে পারছি না। দেখি আমি চ্যানেলে কথা বলব।’

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে স্ত্রীকে নিয়ে কথাগুলো বলেন। এরইমধ্যে ৯ মিনিটের ২৩ সেকেন্ডের ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে। ওই ভিডিওর ৬ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে অসুস্থ স্ত্রীর কাছে পরোটা খেতে চাওয়ার ঘটনা বর্ণনা করেন মুকিত। ভিডিওতে অভিনেতার কাছে জানতে চাওয়া হয়, গভীর রাতে শুটিং শেষ করে বাসায় ফিরলে তখনও কি আপনার স্ত্রী গরম ভাত নিয়ে বসে থাকেন? জবাবে অভিনেতা বলেন, “একশ পার্সেন্টে বসে থাকে। একবার নরসিংদীতে শুটিং শেষ করে প্রচণ্ড শীতের মধ্যে ভোর ৪টার দিকে বাসায় ফিরি। তখন আমার স্ত্রীর ১০২-১০৩ ডিগ্রি জ্বর। স্ত্রীকে বললাম, ‘আমার ভীষণ ক্ষুধা লেগেছে, পরোটা খাব।’ অসুস্থতার কথা না বলে সে গরম পরোটা ও মাংস তৈরি করে খাওয়ায়।” 

এর আগে স্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ ২৬ বছর এক ছাদের নিচে থাকার রহস্য জানতে চাইলে মুক্তি বলেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বোঝাপড়া থাকতে হবে। একজনের যদি অন্যজনের প্রতি সম্মান থাকে, তাহলে যেকোনো সংসার ২০০ বছর টিকে যাবে। আমাদের মধ্যে সম্মান আছে দেখেই এত বছর সংসার টিকে আছে। আলহামদুলিল্লাহ।’

ইএইচ/