বিনোদন ডেস্ক
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৬ পিএম
উপহার পাওয়া এক শাড়িই যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে অভিনেত্রী তানজিন তিশার ক্ষেত্রে। আজ মঙ্গলবার আদালত থেকে বেরোনোর পর এরকমই মনে হলো অভিনেত্রীর কথায়। এদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে করা এক মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন বর্ধিতের আবেদন করেন তানজিন তিশা। শুনানি শেষে আদালত তাঁর জামিন বর্ধিত করার আদেশ দেন। খবরটি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন তিশার আইনজীবী নিহার হোসেন।
আদালত থেকে বেরিয়ে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিশা। এ সময় তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাদের নানা রকম স্টোরি থাকে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো কিছু পোস্ট করতেই হয়। আমাদের ভালোবেসে অনেকেই অনেক কিছু উপহার দেয়। ভক্ত–সহকর্মীদের ভালোবাসা থেকেই সেগুলো নেওয়া হয়। সেভাবেই একটি উপহার নিয়ে আমি বিপদে পড়ি।’
এরপর পেছনের ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে তিশা বলেন, ‘আমাদেরই একজন বড় বোন আছে। তার মাধ্যমেই শাড়িটি গ্রহণ করি। আমাদের মধ্যে ভালো বন্ডিং ছিল। সে আমাকে উপহার হিসেবে গ্রহণ করতে বলায় আমি রাজি হয়েছিলাম। পরে সেই আপু আমাকে বলেছিল, “ছবি দিয়েন।” আমি জানাই পরে ছবি দেব। এভাবেই তো আমরা ছবি দিই, সেটা অনেকেই পোস্ট করে। আমরাও একটা সম্মানের জায়গায় বিষয়টা দেখি।’
তিশা জানান ওই সময় শাকিব খানের সোলজার সিনেমার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। তাই তখন ছবি প্রকাশ করতে পারেননি। অভিনেত্রীর কথায়, ‘ছবিগুলো আমার সিনেমার শুটিংয়ের আগে চাওয়ায় বলেছি একটু সময় দিন। আমি ব্যস্ত ছিলাম। বারবার বলেছিও দিব, দেব। এ জন্য আমি ব্লাউজটাও বানিয়ে রেখেছিলাম। এর মাঝে হঠাৎ করেই দেখি, আমার নামে নিউজ হয়েছে আমি প্রতারণা করেছি, ২৭ হাজার টাকার শাড়ি নিয়ে।’
ন্যায়বিচার চান তিশা। এরকম উল্লেখ করে বলেন, ‘এর পেছনে কে বা কারা আছে, আমি জানতেই চাই না। তারা প্রতারণার অভিযোগ আনার আগে আমাকে বলতে পারত। এখন কে কেন কী কারণে কী করছে, কিছুই জানতে চাই না। আমি চাই, আইন আমাকে একটা ন্যায়বিচার দিক। আইনের প্রতি আমার সেই সম্মান আছে, বিশ্বাস আছে’ বলেন তিশা।
সবশেষে অভিনেত্রী বলেন, ‘আরও পাঁচবারও যদি আসতে হয় আমি আসব। আমি এখান থেকে ন্যায়বিচার নিয়েই বের হব। এখানে কেউ যদি ক্ষমতার অপব্যবহার করে, সেটা আমি সাপোর্ট করব না। দিন শেষে আমরা এ দেশের নাগরিক, আমরা ন্যায়বিচার চাই।’
আরআর