Dhaka Mail Logo

বিনোদন

ভোট শেষে আদালতে দৌড়ঝাঁপ না করে সবাই মিলে কাজ করার আহ্বান আবুল হায়াতের

বিনোদন ডেস্ক

০৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম

আর মাত্র কয়েক মিনিট পর শেষ হচ্ছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণ সকাল থেকে তারকারা লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের ভোট প্রদান করেন। এ সময় এফডিসি তারাকাদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। 

ভোট প্রদান শেষে গণমাধ্যমকে অভিনেতা ও নির্মাতা আবুল হায়াত, ‘এবার ভোটের পরিবেশ আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। আমি যখনই ভোট দিতে আসি, সব সময় পরিবেশ সুন্দরই দেখি। কোনো অসুন্দর বা অপ্রীতিকর কিছু আমার চোখে পড়ে না। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।’

আসন্ন কমিটির কাছে প্রত্যাশার কথা জানিয়ে অভিনেতা বলেন, ‘নির্বাচনের পর একটি দল জিতবে, কিছু মানুষ নির্বাচিত হবে। তখন সবাই যেন একসঙ্গে দেশের চলচ্চিত্রের জন্য কাজ করে। তবেই ভালো কিছু সম্ভব।’

নির্বাচনের ফল নিয়ে আগের মতো আদালতে দৌড়ঝাপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে আবুল হায়াত বলেন, ‘ভোট শেষ হওয়ার পর যদি আবার কোর্ট-কাছারি, আদালত—এসব শুরু হয়ে যায়, তাহলে পরিস্থিতি আবার আগের জায়গাতেই থেকে যাবে। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি কখনোই আমাদের কাম্য নয়।’

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫৭৩ জন। সকাল থেকে বিএফডিসি প্রাঙ্গণে ভোটার, প্রার্থী এবং তাঁদের সমর্থকদের আনাগোনায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এফডিসি জুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল এবং কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট দুটি প্রধান জোট প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এর মধ্যে একটি প্যানেলে সভাপতি পদে লড়ছেন ফাইট ডিরেক্টর ও অভিনেতা আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি। অন্যদিকে, তাঁদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেল থেকে সভাপতি পদে লড়ছেন অভিনেতা শিবা সানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী।

এছাড়া কার্যনির্বাহী পরিষদের ১১টি সদস্য পদের বিপরীতে দুই প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ২৭ জন প্রার্থী ভাগ্য পরীক্ষায় নেমেছেন। পাশাপাশি সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন ইউসুফ খান।