বিনোদন ডেস্ক
১৯ জুন ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
চিত্রনায়িকা পরীমণি কাণ্ডে শেষ পর্যন্ত চাকরি হারাতেই হলো পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম সাকলায়েনকে। গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। এই সিদ্ধান্তের পর থেকে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে সাকলায়েনকে নিয়ে করা পরীমণির মন্তব্য।
ওই সাক্ষাৎকারে সাকলায়েনের বিষয়ে জানতে চাইলে পরীমণি বলেছিলেন, ‘আমি বা সাকলায়েন বলার আগে তো পাবলিকই এটা নিয়ে বলছে। প্রশাসনও এটা নিয়ে বলছে। এটা কিন্তু ব্যক্তিগত পর্যায়ে এখনও আসেনি। যদি ব্যাক্তিগত পর্যায় আসে, তখন আমি কথা বলব।’
দীর্ঘদিন ধরে চলা তাঁদের সম্পর্কের গুঞ্জন প্রসঙ্গে পরীমণি স্পষ্ট করে বলেন, ‘সম্পর্কের বিষয় যদি আসে, এটা তো একজনের ব্যাপার না, দুজনের পক্ষ থেকেই আসে। এখন পর্যন্তও আমাদের সম্পর্কটা তো মানুষের কাছে পরিষ্কার নয়। আমরা প্রেমে ছিলাম, নাকি কী করছি, কোনো কিছুই তো পরিষ্কার নয়। এটা না সাকলায়েনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, না আমার কাছে। সবখানে মনগড়া জিনিস লেখা হয়েছে।’
নায়িকা আরও বলেন, ‘যেখানে সম্পর্কটা ডিফাইন করার আগে এত অপবাদ নিয়ে ফেলছি, সেখানে এই সম্পর্কটা কী, তা নিয়ে কথা বলার জায়গাও তো জনগণ রাখেনি। আমার মনে হয় না এটার আর কোনো দরকার আছে।’
সাকলায়েনের শাস্তির পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে ইঙ্গিত করে পরীমণি আরও বলেছিলেন, ‘প্রেম-ভালোবাসা যা-ই হোক না কেন এটা শুধু একটা অদ্ভুত কারণ হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে। আবারও বলছি, আমার মনে হয়, সে ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার। তবে সাকলায়েনের জন্য খারাপ লাগছে।’
বৃহস্পতিবার জারি করা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের তথ্যানুযায়ী, চিত্রনায়িকা পরীমণির সঙ্গে বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক স্থাপন, জন্মদিন উদযাপন ও সরকারি বাসভবনে স্ত্রীর অবর্তমানে ওই নায়িকাকে নিয়ে রাত কাটানোর অভিযোগ বিভাগীয় তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর সূচক গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।