বিনোদন ডেস্ক
১৫ জুন ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম
বিনোদন দুনিয়ার তারকাদের মানব সেবার কথা অজানা না। অনেকেই নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ ঢালেন মানবতায়। এ তালিকায় নাম লেখালেন রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোণ্ডা। ১৮০ শিক্ষার্থীর স্কলারশীপের দায়িত্ব নিলেন দক্ষিণের এ তারকা দম্পতি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের শুরুতে এরকম প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিজয়-রাশমিকা। এবার তা বাস্তবায়নের পথে। বিজয়ের পৈত্রিক গ্রাম থুম্মানপেটের নবম-দশম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থীরা পাবেন এ বৃত্তি।
![]()
গেল রোববার তেলেঙ্গানার আচমপেট মণ্ডলের গ্রাম থুম্মানপে্টে যান বিজয়-রাশমিকা। সেখানে জানান, মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ প্রদান করা তাঁর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। কর্মজীবনে মানুষের থেকে যে ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছেন তার কিছুটা ফিরিয়ে দিতে পারলে খুশি হবেন।
এরপরই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করতেন বিজয়। সঙ্গে লেখেন, ‘আমরা থুম্মানপেটের পথে। এটি সেই ছোট্ট গ্রাম যেটা আমার বাবার জন্মস্থান। ফেব্রুয়ারিতে আমি আর রাশমিকা আমাদের একটি ছোট স্বপ্নের সূচনার কথা ঘোষণা করেছিলাম। তেলেঙ্গানার আচমপেট মণ্ডলের নবম ও দশম শ্রেণির পরিশ্রমী শিক্ষার্থীদের সম্মান জানাতে চাই। এখানে সেই ১৮০ জন শিক্ষার্থীর তালিকা রয়েছে, যারা তাদের বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করেছে।’

অনুষ্ঠানেও বক্তব্য রেখেছেন বিজয়-রাশমিকা। উপস্থিত ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের পরিবারের উদ্দেশে বিজয় বলেন, “এই ছোট্ট বৃত্তি উপহার খুবই সামান্য। কিন্তু আমার কাছে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি তোমাদের জীবনের অংশ হতে চাই। ধীরে ধীরে আমার গ্রাম থেকে শুরু করে তেলেঙ্গানাজুড়ে এই উদ্যোগের সম্প্রসারণ ঘটাতে চাই। এটাই আমার স্বপ্ন। তোমাদের সাফল্য উদযাপন করতেই এই প্রচেষ্টা।”
রাশমিকা বলেন, “বেশি কথা বলব না। তবে আজ আমরা ‘দ্য দেবরাকোন্ডা ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে একটি ভালো কাজের সূচনা করছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে আচমপেট ও থুম্মানপেট থেকেই এটি শুরু করব কারণ এটি আমার শ্বশুরমশাইয়ের গ্রাম। আজ আমি আপনাদের সামনে রাশমিকা মান্দানা দেবরাকোন্ডা হিসেবে দাঁড়িয়ে কথা বলছি। এই উদ্যোগ নিয়ে আমি ভীষণ উচ্ছ্বসিত।”

শিক্ষার্থীদের ওপর আর্থিক চাপ কমানো বিজয়-রাশমিকার উদ্দেশ্য। বছরের শুরুতে থুম্মানপেটে নিজেদের নতুন বাড়ির গৃহপ্রবেশ ও সত্যনারায়ণ ব্রত পূজার আয়োজন করেছিলেন তারা। সেখানে প্রথম জানিয়েছেন এ পরিকল্পনা। যা উপস্থিত গ্রামবাসীদের মাঝে বইয়ে দিয়েছিল আন্দন্দের বন্যা।