images

বিনোদন

‘বনলতা সেনে’র জার্নি, প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বই লিখছি: মাসুদ হাসান উজ্জ্বল

রাফিউজ্জামান রাফি

২৫ মে ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম

মাসুদ হাসান উজ্জ্বলের ভাবনার তাকজুড়ে থরে থরে সাজানো শিল্প। নির্মাণের ভাঁজে ভাঁজে নান্দনিকতা। কবি জীবনানন্দ দাসের বিখ্যাত কবিতা বনলতা সেন নিয়ে একই নামে আস্ত এক সিনেমা বানিয়েছেন। ঈদে আসছে। সেসব নিয়ে ঢাকা মেইলের সঙ্গে আলাপ জমেছিল নির্মাতার। 

সিনেমার বনলতা সেন কার? জীবনানন্দের নাকি মাসুদ হাসান উজ্জ্বলের?

আমার ধারণা দুজনেরই। বনলতা সেন আমার জন্য একটি অন্বেষণ। একটি কল্পনার অবয়বকে দেখে ফেলা না, দেখার চেষ্টা করা।

আপনার নির্মাণে জীবনানন্দ বারবার উঠে আসে কেন? 

সচেতনভাবে যে করি তা না। এটা অনেকটাই কাকতালীয়। আগের ছবিটা যখন বানাই তখন নাম দিয়ে বসলাম ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’। ঋগ্বেদে ঊনপঞ্চাশ বায়ু শব্দটা আছে। জীবনানন্দের কবিতায়ও আছে। কাকতালীয়ভাবে জীবনানন্দ আমার জীবনে চলে আসে। সম্ভবত আমি খুব মানসিকভাবে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারি। সেজন্যই এরকম হয়। তাছাড়া জীবনানন্দ এখনও ঠিকমতো আবিষ্কারই হয়নি। তাকে অনেক গভীরে জানার ও বোঝার আছে। সেটা আমার কর্মকে অনুপ্রাণিত করে। এ কারণে মনে হয় জীবনানন্দ দাসের সঙ্গে আমার সংযোগ বোধ করি।

702223822_1495457568779160_2244658382192998439_n

এই সিনেমায় জীবনানন্দ দাসকে দর্শকরা কতটা আবিষ্কার করতে পারবেন?

অনেকটাই পারবেন। জীবনানন্দ দাসের কবিসত্তা, মানবসত্তা, অসহায়ত্ব, শক্তিমত্তা— সবকিছু সম্ভবত দেখতে পারবেন।

জীবনানন্দের চরিত্রে খায়রুল বাসার কেন? 

বেশ কয়েকটি কারণ আছে। শুরুতে মনে হয়েছিল খায়রুল বাসার জীবনানন্দের সঙ্গে যায়-ই না। পরে ভাবলাম কী কী যায়। প্রথমে পেলাম দরাজ কণ্ঠ। যতদূর পড়াশোনা করে জেনেছি জীবনানন্দ দাসের খুব গম্ভীর কণ্ঠ ছিল। খায়রুল বাশারের সেটা আছে। দ্বিতীয়ত, খায়রুল বাসারের থিয়েটার ও মাইম ব্যাকগ্রাউন্ড আছে। জীবনানন্দ দাসকে তুলে ধরতে হলে শরীরে ধারণ করতে হবে। শুধু মুখ দিয়ে অভিনয় করলে হবে না। সর্বাঙ্গ দিয়ে করতে হবে। ফলে ওর মাইম অ্যান্ড থিয়েটার ব্যাকগ্রাউন্ড আমাকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে যে ওকে জীবনানন্দের সবচেয়ে কাছাকাছি বানাতে পারব।

জীবনানন্দ দাসের বনলতা আপনার হাতে এসে আদালতের কাঠগড়ায়…

এটা নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। আমি কোথায় বানাচ্ছি ‘বনলতা সেনে’র মতো বিশাল ক্যানভাসের ছবি। সেখানে এক লোক এলেন। স্বেচ্ছায় ছবিটার সঙ্গে থাকতে চাইলেন। তাকে আমি বললাম এই জাতীয় সিনেমায় ব্যবসার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তিনি তখন বললেন, আমার ব্যবসার দরকার নেই। প্রজেক্টটার সঙ্গে থাকতে চাই। ছবিটা হয়তো অনেক অ্যাওয়ার্ড পাবে। তারপর মাঝপথে বাগড়া দিলেন। সম্ভবত ওনার স্ত্রী জানতেন না সিনেমায় লগ্নির কথা। তার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয় হয়তো। উনি মাঝপথে সিনেমা থেকে সরে যান। ওনার সম্পূর্ণ লগ্নি করার কথা ছিল। সেটা করেন না। কিন্তু আমার সঙ্গে তার ব্যবসায়িক চুক্তি হয়েছিল। পার্টনারশিপ চুক্তি। যার বাইরে আপনি যেতে পারবেন না। ওই জায়গা থেকে সম্পূর্ণ লগ্নি না করা একধরনের চুক্তিভঙ্গ। আরেকটি চুক্তিভঙ্গ হলো ছবির মাঝপথে টাকা ফেরত চাওয়া। আমার আইনজীবী বলেছিলেন, আপনি কেন মামলা করলেন না? বলেছি, আমি শিল্পী মানুষ। মামলা মোকদ্দমা করব না। সর্বোচ্চ তাকে বোঝাতে পারি। কিন্তু বোঝাতে সক্ষম হলাম না। বিষয়টি আদালতে গেল। এদিকে ছবিটা মানুষ দেখতে চাচ্ছে, হাইপ উঠল। আমার মনে হয় ওনার ধারণা ছিল এ সময় এটা নিয়ে কথা বললে ওনার নামটাও লোকে জানবে। সেসব করতে গিয়ে এত বড় ক্যানভাসের ছবির ক্ষতি করা। এটা মানসিক বিকৃতি ছাড়া কিছু না। আমার আইনগত ত্রুটি থাকলে কখনোই সেন্সর সার্টিফিকেশন বোর্ডের মতো সরকারি প্রতিষ্ঠানে তিনি লিখিত অভিযোগ করার পর ছাড়পত্র পেতাম না। ভদ্রলোক অভিযোগে লিখেছিলেন, অদ্যাবধি এই সিনেমার শুটিং, পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ শেষ হয়নি। মিথ্যার তো সীমা থাকে! এরকম মিথ্যাচার তিনি শুরু থেকে করে আসছেন। আমার ধারণা উনি কয়েকবার আদালতে গিয়ে বুঝেছেন মামলা তার পক্ষে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। এখন আমাকে বিপদে ফেলে যদি কিছু উদ্ধার করতে পারেন। এটাই হয়তো উদ্দেশ্য। 

474787665_1124113682580219_7485868049629481844_n

সিনেমাটি বানাতে গিয়ে আপনাকে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়েছে শুনেছি। সে সম্পর্কে জানতে চাই। 

‘বনলতা সেনে’র সম্পূর্ণ জার্নি, প্রতিবন্ধকতা, চ্যালেঞ্জ নিয়ে বই লিখছি। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ছাপার সম্ভাবনা আছে। সেখানে বিস্তারিত থাকবে। আপাতত বলব, মাঝপথে পার্টনার সরে গেলে খুব বিপদে পড়তে হয়। এরকম বিশাল আয়োজনের ছবির মাঝপথে লগ্নিকারী সরে গেলে চ্যালেঞ্জ শুরু হয়। আমাকে শেষ পর্যন্ত এই চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে। কলকাতায় পোস্ট প্রোডাকশন চলাকালীন পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। দেশে চলে আসি। এরপর ৫ আগস্টের গণভ্যুত্থান। তারপর দেড় বছর ভিসা পাইনি। হেন চেষ্টা নেই যে করিনি। সার্ক ভিসারও চেষ্টা করেছি। শেষ পর্যন্ত অসুস্থতা আমাকে স্বস্তি দেয়। আমার শারীরিক সমস্যা হলে ডাক্তার দেখানোর প্রয়োজনে পড়ে। সেই ভিসা দিয়ে কলকাতা যাই। সঙ্গে ছবিটার ফাইনাল প্রিন্ট নিয়ে আসি। লম্বা এই প্রতিবন্ধকতার গল্প এক সাক্ষাৎকারে বলা যাবে না। এজন্য বই লিখছি। 

আপনি সিনেমা বানাতে গেলেই প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়। প্রথম সিনেমার ক্ষেত্রেও হয়েছে। 

এ কারণেই হয়তো জীবনানন্দ দাস নিয়ে এত কাজ করা। তার জীবনের প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে আমার প্রতিবন্ধকতার অনেক মিল। ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাসে’র প্রমোশনে নামার এক সপ্তাহ পর লকডাউন শুরু হয়। ছবিটা ঠিকভাবে রিলিজ দিতে পারলাম না। যখন দিলাম তখন কেউ মুক্তি দিচ্ছিল না। হল মালিকরা বললেন, আপনার ছবি না দিলে আমরা হল খুলতে পারছি না। ওই জায়গা থেকে ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাসে’র ক্ষেত্রে স্যাক্রিফাইস করি। কেননা চাইছিলাম হলগুলো ফিরে আসুক। সে স্যাক্রিফাইস কেউ মনে রেখেছে কি না জানি না। মনে রাখলে এখন হল না পাওয়ার সংশয়ের মধ্যে থাকতে হতো না। যাই হোক আমি সিনেমা বানাতে গেলে প্রতিবন্ধকতা আসে। একটা সরকার পতনও হয়ে গেল। 

প্রতিবন্ধকতা আপনার নির্মাণে শান দেয়? 

শান দেয়। সঙ্গে ক্লান্তিও দেয়। প্রতিবন্ধকতায় পড়লে বাধ্য হবেন গভীর থেকে গভীরে যেতে। ফলে শিল্প অনেক শক্তিশালী হয়। কিন্তু শিল্পীর জীবন অনেক ক্ষয়ে যায়। আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়।

704527485_1496465198678397_8981925395615914031_n

অনেকের মতে আপনার গল্প বলার ধরন কঠিন। বনলতা সেনের ক্ষেত্রে সেটা কেমন হতে পারে? 

আমার কাজের স্ট্রাকচারটা আলাদা। সে কারণে স্টোরি টেলিং কঠিন মনে হয়। কিন্তু এ যাবতকালে মানুষ আমার সবচেয়ে দুর্বোধ্য কাজ বেশি গ্রহণ করেছে। যেমন টেলিভিশনের জন্য করেছিলাম যে জীবন ফড়িংয়ের। এখনও জনপ্রিয়। বাচ্চা ছেলেমেয়েরা পছন্দ করে। ২০০৯ সালের কাজটি এখনও প্রাসঙ্গিক। বনলতা সেন ওই ধারাবাহিকতার ছবি। আর মাথার ওপর দিয়ে গেল বলার লোক সবসময় দুই-একজন থাকে। তবে বেশিরভাগ মানুষের ভালোবাসা পাবে বলে বিশ্বাস রাখি। 

সিনেমার ভাষা কেমন হওয়া উচিত বলে মনে করেন? 

সিনেমার ভাষা না বলে শিল্পের ভাষা বলতে পারি। শিল্পের ভাষা সবসময় সার্বজনীন হওয়া উচিত। পৃথিবীর বড় বড় যেসব শিল্পকর্ম আছে সবগুলো সাধারণ মানুষ গ্রহণ করেছে। লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির মোনালিসা কিংবা পাবলো পিকাসোর গুয়ের্নিকা। তাই শিল্প সবসময় শিল্পীর চিন্তা প্রসূত হওয়া উচিত। 

শিল্পের বাজার নিয়ে আপনার মন্তব্য কী? 

বাজার তৈরি হয়। শিল্পের শক্তি কতখানি আমরা বাঙালিরা হয়তো বুঝি না। আপনি যদি ইনভেস্টমেন্টের এগেনস্টে রিটার্নের চিন্তা করেন তাহলে ল্যুভর মিউজিয়ামসহ পৃথিবীর বড় বড় মিউজিয়ামগুলোর দিকে তাকান। কত শত বছর ধরে প্রতিদিন মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার উপার্জন করছে। শিল্পের শক্তি এখানে। আপনি যদি ভিনসেন্ট ভ্যানগগকে বলতেন স্টারি নাইট আঁকার দরকার নেই। সানফ্লাওয়ারস এঁকো না। মানুষ নেবে না। তাহলে পৃথিবী মাস্টারপিস থেকে বঞ্চিত হতো। মিউজিয়ামগুলো এখন বেকার থাকত। এটা বুঝতে হবে। শিল্পীকে তার সম্পূর্ণ শক্তি ব্যয় করে কাজ করতে দিতে হবে। তবেই সবচেয়ে শক্তিশালী শিল্প তৈরি হবে। শত শত বছর আপনাকে বাণিজ্য দেবে। শিল্পকে আলু পটলের মতো করে ভাবলে হবে না। 

632803630_1419485763043008_2369554076475919554_n

বনলতা সেনের পোস্টার, ট্রেলার সব শ্রেণীকে ছুঁতে পারলেও টিজার পারেনি বলে মনে করছেন অনেকে। তাদের মতে টিজারটি উচ্চমার্গীয়।  

ম্যাস পিপলকে টাচ করার ব্যাপারটা ১০ বছর পরও ঘটতে পারে। কিন্তু কেউ না কেউ থাকে প্রচলিত ধারা ভাঙার। আপনি গৎবাঁধা টিজার, বড় বড় ক্লোজ শট, বিভিন্ন সিন দেখিয়েই যদি অডিয়েন্সকে সারাজীবন তুষ্ট করেন তাহলে একেকটা সিনেমার যে পার্টিকুলার ক্যারেক্টারিস্টিক আছে সেটা কখনোই তুলে ধরতে পারবেন না। যেমন বনলতা সেনের পোস্টারগুলো সিনেমাটির ক্যারেক্টারিস্টিককে তুলে ধরে। টিজারও তাই। যারা বুঝেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ দারুণ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। যারা বোঝেননি পরে হয়তো বুঝবেন। না বোঝার কিছু নেই। কিন্তু আমি যদি এই কাজটা না করতাম তাহলে কনভেনশন ব্রেক করার সাহস কাউকে না কাউকে দেখাতে হতো। যখন টেলিভিশন নাটক বানাতে এসেছিলাম তখন খুব সস্তা টাইটেল থাকত। ভাঁড়ামি, স্থূল রোমান্টিকতা ছিল। ১৮-২০ বছর পেছনে তাকালে দেখবেন সেগুলো ভেঙেছি। কিন্তু তখন অনেকে বলেছেন মাথার ওপর দিয়ে গেল। ২০০৬ কিংবা ৭-এ ছায়াফেরী নামে একটি কাজ করি। পরে এই কনসেপ্টে ২০১০ সালে ক্রিস্টোফার নোলান সিনেমা বানান। আমার নির্মাণে স্বপ্নের ভেতর স্বপ্ন ঢুকে যাওয়াকে অনেকে বলেছেন মাথার ওপর দিয়ে গেল। কিন্তু নোলানেরটা ঠিকই সমাদৃত। কোনোকিছু সময়ের আগে তৈরি করলে সবাই যে হুড়মুড়িয়ে গ্রহণ করবে তা না। সেটার যদি সেই শক্তি ও সততা থাকে তবে আজ হোক কাল হোক মানুষ গ্রহণ করবে।

নির্মাণে বিরতি নেন কেন? 

বিরতি আমি নিই না। আমাকে নেওয়ানো হয়। সোজা বাংলায়, আমার সাথে কেউ কাজ করতে চায় না। আমার কাজ নিয়ে নাকি ব্যবসা হবে না। এরকম ভীতি কাজ করে তাদের মধ্যে। এ কারণে আমাকে দিয়ে কেউ বেশি কাজ করায়ও না। তবে আমি নিজে করে দেখাই ব্যবসা হয়। দুর্বোধ্য, আর্টিস্টিক কাজও মানুষ দেখে। 

‘বনলতা সেনে’র ক্ষেত্রে করপোরেট অসহযোগিতার সম্মুখীন হতে হয়েছে বলেছিলেন। 

আমরা করপোরেটদের কাছে যাই কারণ তারা সিনেমাটিকে পৃষ্ঠপোষকতা করবে। তাদের অনেক ধরনের ফান্ড থাকে। যেমন সিএসআর ফান্ড। করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি। সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটির মধ্যে ধরুন বাংলাদেশের সবাই শিল্প সাহিত্যকে উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করে না। কেউ কেউ করে। যেমন আমি বনলতা সেন বানালাম। ঠিকঠাক বানিয়ে থাকলে এর আর্কাইভাল ভ্যালু তৈরি হবে। করপোরেটদের সেটাকে মূল্যায়ন করার কথা ছিল। কিন্তু তারা শুধু দেখছেন জনপ্রিয়তা। তাছাড়া ওনাদের কে বলেছে এসব ছবি জনপ্রিয় হয় না। এই ছবির যাই শেয়ার করছি তাই মানুষ পছন্দ করছে। যদি ভাবেন গত ঈদে যা হয়েছিল আগামী ঈদেও তাই হতে হবে। অনন্তকাল এটাই হবে। ওটাতেই আমরা স্পন্সর করব। এই ভাবনাগুলোকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে আপনি সময়ের সেরা কাজগুলোর সঙ্গে থাকছেন না। এটাই করপোরেট হিসেবে তাদের অর্জন।

702557698_122204431898589686_5016233092152628013_n

ঈদে একগুচ্ছ সিনেমা মুক্তি পায়। এতে অনেক ছবি হল সংকটে ভোগে। বনলতা সেন কী সেরকম সংকটে ভুগছে? 

হলগুলোর একই আচরণ। হাওয়া সিনেমাটি শুরুতে সবচেয়ে অবহেলা পেয়েছিল। পরে সেটাই বেশি ব্যবসা করে। আস্তে আস্তে হল সংখ্যা বাড়ে। সুতরাং এটা নিয়ে আমি এত বেশি চিন্তিত না।

আরআর