images

বিনোদন

সিসিটিভি ফুটেজ আর সাক্ষী-প্রমাণ কথা বলবে, চুরির অভিযোগে স্নেহা মনি

বিনোদন প্রতিবেদক

১৫ মে ২০২৬, ০১:৪৬ পিএম

নারী উদ্যোক্তা মেহেরীন শেখ অয়নিকার আনা চুরির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন টিকটকার স্নেহা মনি। চুরির বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেন তিনি।

অয়নিকার অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা মেইলকে স্নেহা মনি বলেন, ‘তিনি (অয়নিকা) বলছেন আমার নামে অভিযোগ দিয়েছেন। যদি পুলিশ তাঁকে বলেই থাকে যে ওটা ওনার ব্যাগ, তাহলে আমি বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছি কেন? তিনি পুলিশের কথা বলছেন অথচ এখনও মামলা করতে পারছেন না কেন? তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে কেন বেড়াচ্ছেন? আমি তো সেটাই বুঝতে পারছি না। ফেসবুক তো আর ওনাকে ব্যাগ এনে দেবে না। ব্যাগ খুঁজতে হলে পুলিশই পারবে। তিনি পুলিশের কাছে না গিয়ে ফেসবুকে ভিউ কামানোর জন্য স্ট্যাটাস দিয়ে বেড়াচ্ছেন কেন?’

image

ব্যাগের বিষয়ে স্নেহা বলেন,‘পুলিশ সিসিটিভিতে দেখেছে যে আমি যে ব্যাগটি নিয়ে বের হয়েছি সেটি আমারই ব্যাগ। আমার ব্যাগ নিয়েই আমি ওয়াশরুমে গিয়েছিলাম। এমনকি সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকরাও আমাকে সামনাসামনি দেখেছেন। ছবি তোলার সময় আমার হাতে দুটি ব্যাগ ছিল এবং তাঁরা নিজেরাও বিভিন্ন জায়গায় কমেন্ট করে বিষয়টি জানিয়েছেন। সাংবাদিক যারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা সবাই দেখেছেন আমি যাওয়ার সময়ও দুটি ব্যাগ নিয়ে প্রবেশ করেছি, আসার সময়ও দুটি ছিল।’

এদিকে অয়নিকা অভিযোগ করেছেন স্নেহা মনি  যদি চুরি নাই করবে তাহলে অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার দুই-তিন ঘণ্টা আগে কেন বের হয়ে গেল? অভিযোগকারীর প্রশ্নের জবাবে এ টিকটকার বলেন, ‘আমার বাসা নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ার দিকে। অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত ১১টা বেজে যায়। একটা মেয়ে মানুষ একা এত রাতে কীভাবে বাড়ি ফিরবে? অনুষ্ঠানে আমি একা একাই গিয়েছিলাম এবং একাই ফিরেছি। মূলত সময়মতো বাড়ি পৌঁছানোর জন্যই আমি কিছুটা জলদি বের হয়ে এসেছিলাম।’

image

শুক্রবার (১৫ মে) ঢাকা মেইলকে অয়নিকা জানিয়েছেন, ‘তিনি শেরেবাংলা নগর থানায় স্নেহা মনির বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মামলার বিষয়ে স্নেহা বলেন,‘বাংলাদেশ  চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের রুমে বসে পুলিশ কর্মকর্তারা সিসিটিভি ক্যামেরার সব ফুটেজ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখেছেন। কোনো উপযুক্ত প্রমাণ না পেয়ে তাঁরা চলে গেছেন। মূলত কোনো ভিত্তি নেই দেখেই পুলিশ প্রথমে ওনার মামলা নেয়নি। এখন তিনি যদি আবারও মামলা দিতে চান এবং পুলিশ যদি তা নেয়, সেটা ওনার ব্যাপার। এখানে আমার কিছু বলার নেই। কারণ, সিসিটিভি ফুটেজ আর সাক্ষী-প্রমাণই সব কথা বলবে। উনি তো প্রথমে আমাকে দেড় লাখ টাকার বিনিময়ে আপস করার অফারও দিয়েছিলেন।’

ইএইচ/