images

বিনোদন

সন্তানকে রক্ষা করতে নিষিদ্ধ কালো জাদুর আশ্রয় নেন মা! 

বিনোদন ডেস্ক

১৪ মে ২০২৬, ০৫:১২ পিএম

আগামীকাল ১৫ মে আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তুর্কি সিনেমা ‘সিচিন ৯’। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। তুরস্কের জনপ্রিয় হরর ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘সিজ্জিন’ সিরিজের নবম কিস্তি এটি। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আলপার মেস্তচি, যিনি তুর্কি জ্বিন, কালোজাদু ও অতিপ্রাকৃত হরর নিয়ে কাজ করার জন্য পরিচিত। সিজ্জিন সিরিজটি তুর্কি হররের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি। রেডিট ও হরর কমিউনিটিগুলোতে অনেক দর্শক এটিকে ‘খুব ভয়ংকর’ ও ‘ডার্ক’ হরর সিরিজ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বিশেষ করে জ্বিন, কালোজাদু ও বাস্তবধর্মী পরিবেশের কারণে সিরিজটি আন্তর্জাতিক হরর ভক্তদের কাছেও জনপ্রিয়।

‘সিকিন ৯’ সিনেমার কাহিনী একটি অন্ধকার, প্রাচীন অভিশাপকে কেন্দ্র করে নির্মিত, যা একটি রহস্যময় মৃত্যুর পর পুনরায় আবির্ভূত হয় এবং একটি পরিবারের বংশধারাকে প্রভাবিত করে। গল্পে দেখা যায়, এক মা নিজের সন্তানকে রক্ষা করতে একটি প্রাচীন ও নিষিদ্ধ কালোজাদুর আশ্রয় নেয়। কিন্তু সেই জাদুর সঙ্গে বহু বছর আগের এক ভয়ংকর হত্যাকান্ডের রহস্য জড়িয়ে গিয়ে ভয়াবহ অভিশাপের সূচনা হয়। মূল চরিত্র কেমাল সারা জীবন বাবাকে না দেখেই বড় হয়। পরে সে তার বাবার পুরোনো বাড়িতে ফিরে এলে সেখানে লুকিয়ে থাকা ভয়ংকর পারিবারিক অভিশাপ ও অতিপ্রাকৃত শক্তির মুখোমুখি হয়। এরপর শুরু হয় জ্বিন, অভিশাপ ও রক্তাক্ত ঘটনার ভয়াবহ অধ্যায়।

সিরিজের প্রথম সিনেমা মুক্তি পায় ২০১৪ সালে। পরিচালক আলপার মেস্তচি এর আগে ‘ডেইব’ সিরিজ দিয়ে পরিচিতি পেলেও ‘সিচিন’ তাকে আরও বড় পর্যায়ে নিয়ে যায়। এই সিরিজের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি পশ্চিমা জাম্প-স্কেয়ার হররের বদলে তুর্কি ও ইসলামিক লোকবিশ্বাসকে ব্যবহার করে ভয় তৈরি করে। এখানে জ্বিন, রুকইয়া, কালোজাদু, কবর, পারিবারিক গোপন পাপ এসব বিষয়কে খুব বাস্তবধর্মীভাবে দেখানো হয়। গত এক দশকে তুরস্কের সবচেয়ে সফল সুপারন্যাচারাল হরর সিরিজগুলোর একটি হয়ে উঠেছে এটি। বিশেষ করে জ্বিন, কালোজাদু ও পারিবারিক অভিশাপকে কেন্দ্র করে নির্মিত হওয়ায় এটি শুধু তুরস্কেই নয়, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার হরর ভক্তদের মাঝেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। 

তুরস্কে কম বাজেটের হরর সিনেমা হিসেবে ‘সিজ্জিন’ সিরিজ বেশ লাভজনক। প্রতিটি সিনেমা ভালো দর্শক টানায় নির্মাতারা ধারাবাহিকভাবে নতুন কিস্তি নির্মাণ করেছেন। বর্তমানে এটি তুরস্কের দীর্ঘতম চলমান হরর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর একটি। ধারণা করা হচ্ছে, নতুন সিনেমাটিও সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হবে। এরইমধ্যে সিনেমার ট্রেলার দর্শকদের মধ্যে বেশ কৌতূহল তৈরি করেছে।