বিনোদন ডেস্ক
২৯ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম
ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সুনিধি চৌহানের কণ্ঠের জাদুতে বুঁদ গোটা বিশ্ব। একের পর এক সুপারহিট গান উপহার দিয়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে তাঁকে পাড়ি দিতে হয়েছে জীবনের কঠিন সময়।
মাত্র ১৮ বছর বয়সে ভালোবেসে নিজের চেয়ে ১৫ বছরের বড় কোরিওগ্রাফার ববি খানের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন তিনি। তবে সংসার টেকেনি এক বছরও। পরিবারের অমতে গিয়ে করা সেই বিয়ের কেন বিচ্ছেদ ঘটেছিল, আর কীভাবেই ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন সুনিধি?

সদ্য কৈশোরে পা রেখেই জীবনের কঠিন সময় পার করা সুনিধি তাঁর সিদ্ধান্তের কারণে কখনও আফসোস করেননি। গায়িকার কথায়, ‘অনেকে মনে করেন ১৮ বছর বয়সে বিয়ে করাটা আমার জীবনের সবথেকে বড় ভুল ছিল। কিন্তু আমি সেটা মানি না। আজ আমি যে মানুষটা হতে পেরেছি, সেই মানুষটা হতে পারতাম না যদি আমি ওই ভুলগুলো না করতাম।’
প্রাক্তন স্বামী ববি খানের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলাকালীন সুনিধি বুঝতে পেরেছিলেন তিনি সঠিক জায়গায় নেই। সেই কঠিন সময়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘আমি যখন ওই সম্পর্কের মধ্যে ছিলাম, তখনই জানতাম যে আমি ভুল জায়গায় আছি। কিন্তু আমি এটাও জানতাম যে পরিস্থিতি চিরস্থায়ী হবে না। আমি জানতাম আমি শিগগিরই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসব।’

২০০৩ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে ডিভোর্স হওয়াটা সমাজের চোখে খারাপ হয়েছিল। সুনিধিকে অনেক কটু কথা শুনতে হয়েছিল। গায়িকার ভাষায়, ‘অনেকে আমাকে বাঁকা নজরে দেখতেন। আমি তখন সমাজের চোখে কলঙ্কিত ছিলাম। কিন্তু এসব কটুকথাকে আমি কখনও পাত্তা দিইনি। বরং সেই সময়টাকেও এনজয় করেছি কারণ আমি নিজের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’
ভুল সিদ্ধান্ত বয়ে বেড়ানোর চেয়ে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসাটা বুদ্ধিমত্তার কাজ বলে মনে করেন সুনিধি। তিনি বলেন, ‘আমি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিন্দুমাত্র লজ্জিত বোধ করিনি। ভুল সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসাটাই ছিল আমার কাছে সবথেকে বড় জয়।’

বিচ্ছেদের ৯ বছরের মাথায় ২০১২ সালে হিতেশ সনিকের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন সুনিধি।
ইএইচ/