বিনোদন ডেস্ক
১৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৫ এএম
সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ২০২৬ সালের অস্কারে সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতলেন মাইকেল বি জর্ডান। লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও বা টিমোথি শ্যালামেকে পেছনে পেলে বিজয়ীর মুকুট উঠেছে জর্ডানের মাথায়।
রায়ান কুগলারের আলোচিত হরর ছবি ‘সিনার্স’ এ দ্বৈত চরিত্রে অভিনয়ের জন্য এ পুরস্কার পান তিনি।
এছাড়া সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন জেসি বাকলি। ক্লোয়ি ঝাওয়ের ‘হ্যামনেট’ সিনেমার জন্য পুরস্কার পান এই আইরিশ তারকা।
গোল্ডেন গ্লোব, ক্রিটিকস চয়েজ, বাফটা, অ্যাক্টার অ্যাওয়ার্ডসের পর অনুমিতভাবেই অস্কারেও সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেলেন জেসি বাকলি।
সেরা অভিনেতার দৌড়ে ছিলেন যারা
২০২৬ সালের অস্কারে সেরা অভিনেতার দৌড়ে নাম ছিল টিমোথি শ্যালামে, লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও ও মাইকেল বি জর্ডানের। এই তিন অভিনেতাকে ঘিরেই চলছিল সমালোচকদের চুলচেরা বিশ্লেষণ। সম্ভাব্য বিজয়ীর তালিকায় কখনো নাম উঠেছে, আবার কখনো অদলবদলও হয়েছে। তবে আলোচনার কেন্দ্রে ঘুরেফিরে ছিলেন এই তিনজনই।
টিমোথি শ্যালামে মনোনয়ন পান ‘মার্টি সুপ্রিম’ সিনেমার জন্য। ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ ছবির জন্য মনোনয়ন পান লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। আর ‘সিনার্স’ সিনেমার জন্য মনোনীত হন মাইকেল বি জর্ডান।
রায়ান কুগলারের ‘সিনার্স’ এবারের অস্কারে সবচেয়ে আলোচিত ছবিগুলোর একটি। ১৬টি বিভাগে মনোনয়ন পেয়ে একক কোনো চলচ্চিত্র হিসেবে সর্বোচ্চ মনোনয়নের নতুন রেকর্ড গড়েছে হরর ঘরানার এই ছবি।
দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেই সেরা অভিনেতার অস্কার জিতেছেন মাইকেল বি জর্ডান। বাণিজ্যিকভাবে সফল এবং সমালোচকদের প্রশংসিত এই ছবিকে অনেকেই ‘সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ’ কাজ হিসেবে উল্লেখ করছেন।
সমালোচকদের ভাষ্য, কুগলার ইতিহাসের ভার ও ধর্মীয় প্রতীকগুলোকে এমনভাবে গল্পের ভেতরে মিশিয়েছেন, যাতে মূল কাহিনির গতি ব্যাহত হয়নি।
আর যমজ ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করে যেন নতুনভাবে নিজেকে আবিষ্কার করেছেন মাইকেল বি জর্ডান। শরীরী ভাষা ও কণ্ঠের সূক্ষ্ম পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি দুই ভাইকে আলাদা সত্তা হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
‘হ্যামনেট’ সিনেমার জন্য পুরস্কার পান জেসি বাকলি
‘হ্যামনেট’ ছবিতে জেসি বাকলি শোককে এমনভাবে দেখিয়েছেন, যা সম্ভবত আগে কখনো পর্দায় দেখা যায়নি। নিজেকে তিনি সত্যিই উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের স্ত্রী অ্যাগনেস হ্যাথাওয়ের চরিত্রে বিলীন করেছেন।
ভোগ সাময়িকীতে জেসি বাকলি বলেছিলেন, ‘আমি গান আর অভিনয়ের মধ্যে বড় হয়েছি। কৈশোর থেকে শিল্পচর্চার মধ্যে থাকায় অবচেতনভাবেই চরিত্রের চাহিদা বুঝতে পারি। এই সিনেমা সন্তান হারানোর শোক নিয়ে। শুটিং শুরুর আগে আমি কীভাবে চরিত্র হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছি, এটা অনেকেই জানতে চান। সত্যি বলতে, আমি আলাদা কিছু করিনি।’
এমআর