images

বিনোদন

ইফতারের আগে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলাম: ডা. এজাজ

বিনোদন প্রতিবেদক

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম

রমজানের গায়ে লেগে আছে শৈশবের স্মৃতি। বছর ঘুরে পবিত্র মাসটি ফিরে এলে ইফতার-সেহেরির মজার ঘটনাগুলো মনে পড়ে। জনপ্রিয় অভিনেতা ডা. এজাজুল ইসলামও মাসটিতে হারিয়ে যান ছেলেবেলায়। ঢাকা মেইলের কাছে করলেন শৈশবের রোজা নিয়ে স্মৃতিচারণ। জানালেন প্রথমবার রোজা রেখে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। 

ঢাকা মেইলকে ডা. এজাজ বলেন, ‘ছোটবেলা বাবা-মায়ের সঙ্গে রোজা করতাম। তখনকার সেহরি-ইফতারের আনন্দ ছিল অন্যরকম। সে আনন্দ সারা জীবনেও খুঁজে পাওয়া যাবে না।’

শৈশবের সেহরির স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘আব্বা-আম্মা, ভাই-বোন— একসঙ্গে সেহরি করতাম। আমাদের সময় শীতকালে রোজা হতো। আম্মা উঠতেন সবার আগে। প্রচণ্ড শীতে। আমরা সেহরিতে ভর্তা ভাত-ই খেতাম বেশি। বেগুন ভর্তা কিংবা অন্য কোনো ভর্তা থাকত। ভর্তা দিয়ে খেয়ে দুধভাত খেতাম। সঙ্গে একটি কলা থাকত। এটা ছিল আমাদের প্রতিদিনকার সেহরির খাবার তালিকা। 

ইফতারও সাদামাটা ছিল উল্লেখ করে বলেন, ‘ইফতারে খেতাম কাঁচা ছোলা। তখন কেশর আলু নামে এক ধরণের ফল পাওয়া যেত। এতে প্রচুর পানি থাকত। সেটা খেতাম। সব মিলিয়ে সাদামাটা সেহরি ও ইফতার ছিল আমাদের।’

একরত্তি বয়সে প্রথম রোজা রাখেন এজাজ। কিন্তু ছোট্ট শরীর ধকল নিতে পারেনি। ক্ষুধা সহ্য করতে না পেরে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলেন অভিনেতা। তার কথায়, ‘আমাকে কখনও রোজা রাখতে নিরুৎসাহিত করেনি বাবা-মা। প্রথম রোজার স্মৃতি এখনও মনে আছে। বয়স মনে নেই। তবে খুব ছোট বয়সে প্রথম রোজা রাখি। ইফতারের ঠিক পাঁচ মিনিট আগে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছিলাম। ক্ষুধায় চোখে কিছু দেখিনি। ছোট শরীর সারাদিন না খেয়ে থাকার ধকল নিতে পারেনি। আম্মা পাশে বসা ছিলেন। ওনার কোলে পড়ে গিয়েছিলাম।’

সেহরির সেই ঘুম ভাঙানিয়া গান এখনও জনপ্রিয় এ অভিনেতাকে শৈশবে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘তখন সেহরিতে গান গেয়ে সবাইকে ডাকা হতো। ঘুম ভাঙাতে মাঝরাতে দল বেঁধে ডাকত। সে ডাক শুনে আমরা উঠতাম। ডাকগুলো খুব মধুর ছিল।’

ব্যস্ততার ফিরিস্তি জানতে চাইলে ডা. এজাজ জানান ‘দেনা পাওনা’, ‘ম্যানেজ মাস্টার’, ‘এটা আমাদেরই গল্প’ সিরিয়াল তিনটি নিয়ে ব্যস্ত তিনি। ঈদে মুক্তি প্রতিক্ষীত সিনেমা ‘প্রিন্স’ ও ‘বনলতা এক্সপ্রেসে’ দেখা যাবে তাকে।

আরআর