Dhaka Mail Logo

বিনোদন

গান-কবিতায় রবি-নজরুলকে স্মরণ

বিনোদন ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৫, ০১:৩৬ পিএম

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রাণ। বাংলা সাহিত্যের দুই মহীরুহ। তাঁদের অবদান ছাড়া বাঙালির মানস গঠনের ইতিহাস অসম্পূর্ণ থেকে যেত। বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় গঠনে তাঁদের সাহিত্য ও সকল সৃষ্টিকর্ম অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছে।  

গতকাল ২২ আগস্ট সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন সৃষ্টি বিশ্বময় গানে, কবিতায় ও আলোচনা সভায় স্মরণ করল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে। রাজধানীর পরিবাগে সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্র  মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামকে স্মরণ করে দলীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। 

 আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন সংগঠনের সভাপতি বাসুদেব ধর, সংগঠনের উপদেষ্টা পুলক রাহা, সিলেটের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব নিরঞ্জন দে এবং খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল কবীর। 

বক্তারা আলোচনা সভায় বলেন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সাহিত্যকর্ম আমাদের মননকে প্রসারিত করেছে, রবীন্দ্রনাথের গভীর মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি, প্রকৃতিপ্রেম ও জীবন দর্শনের মাধ্যমে  বাঙালির পরিচয়কে উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর করেছেন।  বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বসাহিত্যের উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।

আরও বলেন, অপরদিকে নজরুল তাঁর বিদ্রোহী কবিতা, গান ও লেখার মাধ্যমে শোষণ, বঞ্চনা ও সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণতার বিরুদ্ধে সংগ্রামী কণ্ঠস্বর হয়ে মানবমুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন। নজরুল তাঁর কলমে বিদ্রোহ, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা, মানবিক মর্যাদা, সাম্য আর  নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছিলেন।

এরপর বলেন, আজকের দিনে তাঁদের জন্ম ও মৃত্যুদিন স্মরণ করা  শুধু একটি দিনকে স্মরণ করা নয় তাঁদের সৃষ্টিকর্ম, চিন্তা চেতনা আমাদের জীবনের  প্রতিদিনকার কাজে প্রয়োগ করা বিশেষ জরুরি। এই কবিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো মানে নিজেদের শিকড়ে ফিরে যাওয়া, সাহিত্য-সংস্কৃতির আসল আলোতে জাতিকে পুনরুজ্জীবিত করা।

অনুষ্ঠানে একক সংগীত পরিবেশন করেন শিশু শিল্পী আদৃতা জারা রায়, আবৃতা সারা রায় ও দূর্বা । 

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে রত্না দত্ত, শিল্পী সাহা , সুদেষ্ণা বীর ছোঁয়া,শামীমা রহমান মুন্নী,সোমা দাস,তৃষা,মারটিনা এম সাংমা তৃষ্ণা, জাকারিয়া সুমন, বর্ষা রাহা, সানোয়ারা জাহান নিতু মো. মোমিন উল্লাহ, অনিকেত আচার্য ও অলক দাস গুপ্তের একক সংগীত পুরো  অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত ও আনন্দময় করে তুলেছিল।

একক আবৃত্তি পরিবেশন ও পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বাচিক শিল্পী সোয়াইব আহমেদ।