Dhaka Mail Logo

বিনোদন

সেক্সুয়ালি হতাশাগ্রস্ত ছাড়া এ ধরনের চিন্তা আসার কথা নয়: সামিরা মাহি 

বিনোদন ডেস্ক

১৬ আগস্ট ২০২৫, ০৪:২০ পিএম

সম্প্রতি নিজের কিছু স্থিরচিত্র প্রকাশ করে বেশ বিপাকে সামিরা খান মাহি। কেননা ওই ছবিগুলো দেখে অভিনেত্রীকে প্রাপ্তবয়স্ক সিনেমার এক অভিনেত্রীর সঙ্গে তুলনা করছেন নেটিজেনরা। এতে মাহি বেশ বিরক্ত।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছিলেন, ‘একজোড়া চশমা দেখে কারও কারও ভিন্নভাবে মনে হতে পারে। কিন্তু আমার জন্য এটা শুধুই অফিস লুকের অংশ। প্রতিটি পোশাক বা ভঙ্গিকে অপ্রাসঙ্গিকভাবে দেখার প্রয়োজন নেই। স্টাইলকে তার মতো করেই উপভোগ করা উচিত।’

এবার বিষয়টি এক সাক্ষাৎকারে মাহি বলেন, ‘যারা এই ধরনের সমালোচনা করে, এদের নিয়ে আর কিছু বলার নেই। আমি জানি না, এই সিগনেচারটা কে তৈরি করেছে? চশমা পরলেই আমাকে অন্য কারও মতো লাগতে হবে, এমন তো কথা না। আসলে আমার কাছে মনে হয়েছে, আমাদের দেশের বেশির ভাগ পুরুষ সেক্সুয়ালি হতাশাগ্রস্ত। হতাশাগ্রস্ত বলেই রিডিংগ্লাস পরা এ রকম ছবি দেখে তাদের কাছে মনে হয়েছে, এটা ওই রকম। এ ছাড়া আমি কোনো কারণ খুঁজে পাই না। একজন আর্টিস্ট অনেক ধরনের ছবি আপলোড করতে পারে। সেটা নিয়ে মানুষ নানান মন্তব্য করতেই পারে। কিন্তু এই ধরনের স্টুপিডিটি, অসভ্যতা তো মানা যায় না। এর আগে আমার বর্ণ নিয়ে, পরনের কাপড় নিয়েও অকারণ সমালোচনা, বিতর্ক তৈরি করল!’

এরপর বলেন, ‘এবার একটা গ্লাস, রিডিং গ্লাস! সেক্সুয়ালি হতাশাগ্রস্ত মানুষ ছাড়া এই ধরনের চিন্তা সুস্থ মানুষের মাথায় আসার কথা নয়। ব্যাপারটা হচ্ছে, আমি তো আসলে ওইটা বুঝাইনি—যেমন অনেকে বলছে, মিয়া খলিফা, মিয়া খলিফা। সে অন্য রকম, তার একটা পেশা আছে, তার জীবন আলাদা—সে জীবনে সে কী করবে, না করবে, এটা একান্ত তার সিদ্ধান্ত। সে আবার থাকে অন্য একটা দেশে। তাকে নিয়ে তো আমাদের মাথাব্যথা হওয়ার কিছু নেই। সে কোনোভাবেই আমাদের কাছের কেউ না। আমাকে ওর সঙ্গে তুলনা করছে, সেটা সমস্যা না, কিন্তু তারা তুলনা করছে নেগেটিভ উপায়ে, এটাতেই আমার আপত্তি।’

বুধবার (১৩ আগস্ট) মাহির ফেসবুকে প্রকাশিত একগুচ্ছ ছবি থেকে আলোচনার সূত্রপাত হয়। যেখানে দেখা গেছে নীল রঙের কোর্ট, চোখে চশমা পরে একটি  অফিসে বসে আছেন। ছবিগুলো প্রকাশ করে অভিনেত্রী লিখেছেন, আসছে ‘সুইট কলিগ’। এই ছবিগুলো মুলত অভিনেত্রীর আসন্ন নাটকের শুটিং সেটে তোলা। নাটকের প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি এই ছবিগুলো সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন।