জেলা প্রতিনিধি
০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম
প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত ও দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে নতুন মনিটরিং নীতিমালা প্রণয়ন এবং পরিমার্জিত কারিকুলাম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বুধবার (৪ নভেম্বর) হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিটি শিশু প্রকৃত অর্থে কতটুকু শিখছে, পাঠদানের মান কেমন এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম কতটা কার্যকর, তা নতুন মনিটরিং ব্যবস্থার আওতায় আরও নিবিড়ভাবে তদারকি করা হবে। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের বয়স ও সক্ষমতাভিত্তিক, বিজ্ঞানসম্মত ও আনন্দময় শিখন নিশ্চিত করতে কারিকুলাম পরিমার্জনের কাজ চলছে।
তিনি জানান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে (এনসিটিবি) এ বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন কারিকুলামে শিখন ঘণ্টার বৈষম্য দূর করা, পাঠদান ও শিখন উপকরণ বয়সোপযোগী করা এবং নৈতিক শিক্ষা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সফরকালে প্রতিমন্ত্রী জগদীশপুর চা-বাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিড ডে মিলের খাবার বিতরণ করেন এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এসময় তিনি মা সমিতির সদস্য, বুক ক্যাপ্টেন এবং লিটল এগ্রিকালচারিস্ট ক্লাবের সদস্যদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।
স্কুল ফিডিং কর্মসূচি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার দেশের ১৫১টি উপজেলায় এ কর্মসূচি চালু করেছে এবং আগামী বছরের মধ্যে তা দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমানে মাধবপুর উপজেলায় বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির আওতায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ডব্লিউএফপির অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রম পর্যালোচনা করে যেসব উদ্যোগ উপযোগী হবে, তা সরকারের নিজস্ব কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
পরিদর্শনকালে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম জেসি উড এবং স্কুল ফিডিং বিষয়ক প্রোগ্রাম পলিসি অফিসার এমা লেফুসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এএইচ