নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৩ পিএম
দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ সম্প্রসারণে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) নেতৃত্বে এ কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিদেশি কারিকুলামে ‘ও’ লেভেল ও ‘এ’ লেভেল সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়ায় সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।
রোববার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে অ্যালায়েন্স অব প্রাইভেট ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলস আয়োজিত ‘বিদেশি কারিকুলাম অধ্যয়নকারী শিক্ষার্থীদের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ভর্তির সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা ও লেভেল ও এ লেভেল শেষ করার পর দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে কী ধরনের সুযোগ পাচ্ছেন, তা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। এ জন্য ইউজিসির নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ভর্তি প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে।
প্রতিবেশী দেশগুলোর উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ভারত ও পাকিস্তানে ও লেভেল এবং এ লেভেলের শিক্ষাগত যোগ্যতাকে নিজস্ব এইচএসসি সমমানের সঙ্গে সমন্বয় করার সুস্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে। বাংলাদেশেও শিক্ষার সব স্তরে সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
ড. মিলন বলেন, ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা যাতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রক্রিয়ায় সমতার ভিত্তিতে অংশ নিতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কমিটি গঠনের পর তাদের সুপারিশ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।
এ সময় ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দেশের ইতিহাস, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির পাঠদান আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদেশি কারিকুলামে পড়াশোনা করলেও শিক্ষার্থীদের দেশের ইতিহাস, ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান অর্জনের সুযোগ থাকতে হবে।
অ্যালায়েন্স অব প্রাইভেট ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলসের সভাপতি মো. মোরশেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী গিয়াস উদ্দিন, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা।
এমএইচ/এএস