Dhaka Mail Logo

শিক্ষা / সারাদেশ

গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম

কুমিল্লায় ‘গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এর চূড়ান্ত পর্ব শুরু হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের এ পর্বে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৩৬৮ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 

বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির উদ্যোগে এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের শারীরিক শিক্ষা বিভাগ ও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লার ব্যবস্থাপনায় এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের প্রতিযোগিতার প্রতিপাদ্য ‘ক্রীড়া নৈপুণ্যে গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

গত ২৬ আগস্ট দেশব্যাপী এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অনূর্ধ্ব-১৭ শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছে। হ্যান্ডবল, কাবাডি, দাবা ও সাঁতার- এই চারটি খেলায় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রতিযোগিতায় প্রায় ২৮ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী, জেলা পর্যায়ে ৪৭ হাজার ৮৪০ জন, উপ-অঞ্চল পর্যায়ে ৫ হাজার ৮৮৮ জন এবং অঞ্চল পর্যায়ে ৮২৮ জন অংশ নেয়। সেখান থেকে জাতীয় পর্যায়ে এসেছে ৩৬৮ শিক্ষার্থী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, লেখাপড়ার সঙ্গে খেলাধুলায় অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত থাকতে হবে। প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয় উভয় ক্ষেত্র থেকেই শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নিতে হবে। পরাজয়কে মেনে নিয়ে আগামী দিনে কীভাবে তা কাটিয়ে ওঠা যায়, সেই মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি খেলাধুলার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন। ২০২৭ সালের কারিকুলামে খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও নৈতিক মূল্যবোধের মতো বিষয় সংযোজন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আনন্দময় শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আগামী দিনে এমন একটি প্রজন্ম গড়তে চাই, যে প্রজন্ম আগামীর বাংলাদেশ তৈরি করবে। সেই প্রজন্ম বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে নেতৃত্ব দেবে।’

শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলায় সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিজেদের ভবিষ্যৎ সঠিকভাবে গড়ে তুলতে এখন থেকেই সচেষ্ট হতে হবে। দেশকে স্বাবলম্বী করতে জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, নারীশিক্ষার পথিকৃৎ নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর জীবনী ভবিষ্যতে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন বক্তব্য দেন।