নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এ সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও নিয়োগপত্র না পাওয়া যোগ্য প্রার্থীদের রোববারের (২৭ সেপ্টেম্বর) মধ্যে নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ ব্যাচ’-এর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে প্রার্থীরা বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে সুপারিশ পাওয়ার পর দীর্ঘ আট মাস ধরে তারা বেকার অবস্থায় রয়েছেন। এর মধ্যে ভেরিফিকেশনের নামে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
তাদের ভাষ্য, একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধ, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় থাকার অভিযোগ কিংবা সনদ জালিয়াতির প্রমাণ না থাকলে তাকে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করার সুযোগ নেই। তাই সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী এসব অভিযোগ না থাকা সব যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
প্রার্থীরা আরও বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে বেকারদের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। অথচ সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও দীর্ঘদিন নিয়োগ না পাওয়ায় তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। নতুন করে রি-ভেরিফিকেশনের নামে বিষয়টি আরও দীর্ঘায়িত না করার আহ্বান জানান তারা।
ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে ২ হাজার ৫০০-এর বেশি প্রার্থীকে বাদ দেওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নিয়োগপ্রত্যাশীরা। তাদের দাবি, কী কারণে এতসংখ্যক প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তাদের কাছে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা নেই।
বিবৃতিতে তারা বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ার দায়িত্ব আসলে কার—এ বিষয়েও স্পষ্টতা নেই। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে মন্ত্রণালয় এবং জেলা শিক্ষা অফিস—বিভিন্ন পর্যায় থেকে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য আসছে। এতে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ নিয়ে প্রার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তারা।
প্রার্থীদের দাবি, ফৌজদারি অপরাধ, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় থাকা এবং সনদ জালিয়াতির মতো অভিযোগ নেই— এমন সব যোগ্য প্রার্থীকে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিয়োগপত্র দিতে হবে। অন্যথায় তারা কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
একইসঙ্গে আগামী ১ অক্টোবর সব যোগ্য প্রার্থীর একসঙ্গে কর্মস্থলে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার প্রত্যাশাও জানিয়েছেন তারা।
এম/এএইচ