নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ জুন ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম
আগামী জুলাই মাস থেকে নতুন শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
রোববার (২৮ জুন) ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে সিলেট শিক্ষা বোর্ড এবং সিলেট অঞ্চলের মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রপ্রধানদের (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সাল থেকে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ সময়ের মধ্যে আরও প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষক অবসরে গেছেন। আদালতে চলমান একটি মামলার কারণে সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পাচ্ছেন না, ফলে নিয়োগ কার্যক্রমও দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে আছে।
তিনি বলেন, একটি মামলা হলেই পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা আটকে যায়। অথচ শিক্ষা ব্যবস্থা সচল রাখা সবার জন্য জরুরি। বিচারকরাও শিক্ষার গুরুত্ব বোঝেন। তবে কী কারণে মামলাজটের কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া এতদিন আটকে রয়েছে, তা বোধগম্য নয়।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আগামী ২ জুলাই মামলার রায় হওয়ার কথা রয়েছে। রায় অনুকূলে এলে জুলাই মাস থেকেই নতুন শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা খাতের আইনি জটিলতা ও মামলাজটের কারণে অনেক সময় স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এই অচলাবস্থা দূর করে শিক্ষাঙ্গনে একটি স্বচ্ছ, গতিশীল ও কার্যকর পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর।
>> আরও পড়ুন
মতবিনিময় সভায় আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়েও কেন্দ্রপ্রধানদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম বা প্রশ্নফাঁসের অপচেষ্টা সহ্য করা হবে না। শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো শতভাগ নকলমুক্ত ও প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।
সভায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা এবং সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রপ্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এম/এএস