images

শিক্ষা

মাদরাসা বৃত্তির তথ্য হালনাগাদের সময় বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ জুন ২০২৬, ১০:৫১ পিএম

দেশের সরকারি ও বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদরাসার বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্যের ভুল সংশোধন এবং নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য এমআইএস (MIS) সফটওয়্যারে হালনাগাদ করার সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতর। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীকাল বিকেল ৫টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট তথ্য এমআইএস সফটওয়্যারে হালনাগাদ করতে হবে।

সোমবার (১৫ জুন) মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতরের উপ-পরিচালক (অর্থ) ড. কে এম শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, দেশের তিনটি সরকারি আলিয়া মাদরাসা ও এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদরাসায় অধ্যয়নরত রাজস্ব খাতভুক্ত এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে দাখিল-২০২৪ ও ২০২৫, আলিম-২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ এবং ২০২৫ সালে জেডিসি ও এবতেদায়ী পর্যায়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত (মেধা ও সাধারণ) নিয়মিত ও বাউন্সব্যাককৃত শিক্ষার্থীদের বৃত্তির অর্থ জি-টু-পি (G2P) ও ইএফটি (EFT) পদ্ধতিতে ব্যাংক হিসাবে প্রেরণের লক্ষ্যে তথ্য হালনাগাদের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজস্ব খাতভুক্ত সব ধরনের বৃত্তির অর্থ জি-টু-পি পদ্ধতিতে অনলাইনে ইএফটির মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হচ্ছে। তবে অনেক মাদরাসা এখনও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি করেনি। আবার অনেক প্রতিষ্ঠানের পাঠানো তথ্যে ব্যাংক হিসাব নম্বর, শাখার নাম, পরীক্ষার সালসহ বিভিন্ন ধরনের ভুল পাওয়া গেছে। কিছু শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসাব নম্বর, রাউটিং নম্বর ও অন্যান্য ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্য সঠিক না থাকায় ইএফটি বাউন্সব্যাক হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, কারিগরি ত্রুটির কারণে পূর্বে করা কিছু আবেদন অন্য লিংকে চলে গেছে। এ ছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান এখনও আবেদন করতে পারেনি, তাদেরও নির্ধারিত লিংকে আবেদন করতে হবে।

তথ্য এন্ট্রির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে অধ্যয়নরত আছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে। পাঠ বিরতিতে থাকা কোনো শিক্ষার্থীর তথ্য এন্ট্রি করা যাবে না। শিক্ষার্থীর নিজ নামে অনলাইন সুবিধাসম্পন্ন তফসিলভুক্ত ব্যাংকে হিসাব খুলতে হবে এবং ব্যাংক হিসাবের নাম ও শিক্ষার্থীর নাম অভিন্ন হতে হবে। ব্যাংক হিসাব নম্বর ১৩ থেকে ১৭ ডিজিটের মধ্যে হতে হবে এবং তা সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীর পরীক্ষার আইডি বা রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পরীক্ষার নাম ও সাল, বৃত্তির ধরন (মেধা বা সাধারণ), ব্যাংকের নাম, শাখার নাম, রাউটিং নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব নম্বর নির্ভুলভাবে দিতে হবে। তথ্য প্রেরণের ক্ষেত্রে কোনো ভুল বা অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন।

যেসব শিক্ষার্থী মাদরাসা থেকে বৃত্তি পেয়ে বর্তমানে মাদরাসায় অধ্যয়নরত অথবা স্কুল-কলেজ থেকে বৃত্তি পেয়ে মাদরাসায় অধ্যয়নরত রয়েছেন, তারা নির্ধারিত অনলাইন লিংকে আবেদন করবেন। অন্যদিকে, মাদরাসা থেকে বৃত্তি পেয়ে বর্তমানে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল বা প্রকৌশল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত লিংকে আবেদন করতে হবে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, এমআইএস সফটওয়্যারে আবেদন থাকা সত্ত্বেও কোনো শিক্ষার্থী বৃত্তির অর্থ না পেয়ে থাকলে পূর্বের আবেদন বাতিল করে নতুন করে আবেদন করতে হবে। একই সঙ্গে যেসব শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারেননি অথবা আবেদন করার পর রিভিউ দেখতে পারেননি, তাদেরও পুনরায় আবেদন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এম/এফএ