নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ জুন ২০২৬, ১০:০১ পিএম
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল ২০০৬ সালে। পরবর্তীতে এ ব্যবস্থায় পরিবর্তন এলেও বর্তমানে আবারও এনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করা হচ্ছে।
শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এসব বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত শিক্ষকদের বদলির দীর্ঘদিনের দাবি রয়েছে। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সফটওয়্যারভিত্তিক বদলি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “দূর-দূরান্তে কর্মরত শিক্ষকদের বদলির জন্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবস্থা চালু করছি। আমরা প্রায় প্রস্তুত। সবকিছু একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা যায় না, কিছুটা সময় লাগে।
মন্ত্রী বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বর্তমানে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ। এটিকে ধীরে ধীরে শতভাগে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ১০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছিলাম। বাজেট বাস্তবায়নের পর পর্যায়ক্রমে শিক্ষকদের শতভাগ উৎসব ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সংকটের বিষয়েও কথা বলেন এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে আটকে আছে। বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন নিয়োগ ও প্রশাসনিক বিষয়ে মামলা জটিলতার কারণে অনেক কার্যক্রম বাস্তবায়নে বিলম্ব হচ্ছে। বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে মোট ৮৩ হাজার ৫০০ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এম/ক.ম