নিজস্ব প্রতিবেদক
০২ জুন ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম
এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে অনিয়মের অভিযোগে আরও দুই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। তথ্য গোপন করে অতিরিক্ত খাতা গ্রহণ ও অল্প সময়ে মূল্যায়নের অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (২ জুন) বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানু স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
শোকজপ্রাপ্ত দুই শিক্ষক হলেন- নরসিংদীর মাধবদী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক মো. মনির হোসেন এবং রাজবাড়ীর লাড়ীবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের বাংলা বিষয়ের শিক্ষক মো. খোরশেদ আলম।
মো. মনির হোসেনকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ইংরেজি প্রথম পত্রের (বিষয় কোড-১০৭) পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি অনৈতিকভাবে ও তথ্য গোপন করে একজন পরীক্ষকের জন্য নির্ধারিত ৩০০ উত্তরপত্রের পরিবর্তে ৪৫০ উত্তরপত্র গ্রহণ করেন। পরে অল্প সময়ের মধ্যে সেগুলো মূল্যায়ন করে প্রধান পরীক্ষকের কাছে হস্তান্তর করেন।
অন্যদিকে মো. খোরশেদ আলমকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, তিনি এসএসসি পরীক্ষার বাংলা দ্বিতীয় পত্রের (বিষয় কোড-১০২) পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নির্ধারিত ৩০০ উত্তরপত্রের পরিবর্তে ৯০০ উত্তরপত্র গ্রহণ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি অল্প সময়ের মধ্যেই এসব উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে প্রধান পরীক্ষকের কাছে জমা দেন।
চিঠিতে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। তাদের জবাব বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সোমবার (১ জুন) একই অভিযোগে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. আ. রশিদ মিয়াকে শোকজ করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।
তিনি বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নির্ধারিত ৩০০ খাতার পরিবর্তে ৭০০ খাতা গ্রহণ করেছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এম/এএইচ