নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ মে ২০২৬, ০২:০৫ পিএম
সরকার দশ বছরে এসএসসি এবং ১২ বছরে এইচএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করার কথা ভাবছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সেভাবেই সিলেবাসসংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (১৩ মে) সকালে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে ওয়ান গ্রিড সোলার প্রজেক্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী ছাত্রদের উদ্দেশে বলেন, আমরা আজকে তোমাদের পরীক্ষার বিষয়ে বসব। আমরা আলোচনা করব কীভাবে তোমাদের এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষাগুলোর সিলেবাস কাভার করে সময় নষ্ট না করে আমরা যেন ঠিক পথে এগিয়ে যেতে পারি। অর্থাৎ তোমাদের জীবনে এসএসসি পাস করতে যেন দশ বছর স্কুলিং, বারো বছর স্কুলিং, কোনো সেশনজট যেন না হয়। তোমরা যেন পিছিয়ে না পড়ো। সেই জন্য আজকে আমরা বসব, আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। তোমাদের স্বার্থে যেটা করা দরকার সেটাই করব।
শিক্ষার্থীদের ভালোভাবে পরীক্ষা দেওয়ার তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, তবে পরীক্ষা সুন্দরভাবে তোমাদের দিতে হবে। দেখেছ তোমরা? এখন পরীক্ষা সুন্দর হচ্ছে। কী কারণে? সকলেই চায় সুন্দর পরীক্ষা। সকলেই চাও না?
এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার প্রাধান্যের তালিকায় প্রথম বিষয় শিক্ষা, দ্বিতীয় বিষয় শিক্ষা এবং তৃতীয় বিষয়ও শিক্ষা।
মন্ত্রী বলেন, একটি দেশের উন্নয়নের মূল ভিত্তিই শিক্ষা। এছাড়া কোনো জাতি কখনও উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারে না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ থাকলেও তারা উন্নত হতে পারেনি। আবার কিছু দেশ সীমিত সম্পদ নিয়েও শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদের মাধ্যমে বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে। তাই বাংলাদেশের বিপুল জনশক্তিকে সঠিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উৎপাদনশীল মানবসম্পদে রূপান্তর করতে হবে।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি দেশপ্রেম, নৈতিকতা এবং ধর্মীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধ ধারণ করতে হবে। ‘ভ্যালুস ছাড়া কোনো জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। পরিবার থেকেই একজন মানুষের প্রকৃত শিক্ষা শুরু হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাবের হোসেন, মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং ওমেরা রিনিউয়েবল এনার্জির সিইও মাসুদুর রহিম।
জেবি