images

শিক্ষা

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগে কওমি আলেমদের অগ্রাধিকার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৯ পিএম

সারা দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ এবং এ ক্ষেত্রে কওমি আলেমদের অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আলেমরা।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর বিএমএ মিলনায়তনে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের আয়োজনে ‘দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলক ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ দাবি জানানো হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগে আলেমদের প্রাধান্য দিতে হবে। যিনি শিশুদের ধর্মীয় শিক্ষা দেবেন, তাঁর মধ্যেই যদি ধর্মীয় জ্ঞান ও চর্চা না থাকে, তাহলে শিশুরা প্রকৃত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে। দেশের শতভাগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তাঁরা। আলেমদের কাছ থেকে ধর্মীয় শিক্ষা পেলে শিশুরা সুন্দর জীবন গড়ে তুলতে পারবে বলেও উল্লেখ করেন বক্তারা।

বক্তারা আরও বলেন, শিশুদের ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে। দেশে ৯২ শতাংশ মানুষ মুসলিম হলেও তাদের অনেক সন্তান প্রকৃত ধর্মীয় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন শিশুরাই ভবিষ্যতে সৎ ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে।

তাঁরা বলেন, ইভটিজিংসহ নানা সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে শিশুদের ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গানের শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগের সমালোচনা করে তা বন্ধের দাবি জানান তাঁরা।

সভায় বক্তারা আরও বলেন, দেশের মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নীতিনির্ধারণ করতে হবে। অভিভাবকেরা তাঁদের সন্তানদের জন্য সুশিক্ষা প্রত্যাশা করেন।

সংগঠনের সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল করীম আবরারের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, বিশিষ্ট আলেম মাওলানা মোহাম্মদ আলী, মাওলানা আবু ইউসুফ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নেতা মাওলানা এনামুল হক মুসা এবং এনসিপির নেতা মাওলানা সানাউল্লাহ খান প্রমুখ। 

এসএইচ/এআর