images

শিক্ষা / সারাদেশ

দলীয় স্বার্থের সঙ্গে সংবিধান মেলানো হচ্ছে প্রতারণা ও ছোটলোকি: ড. সালেহ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৪ পিএম

শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ ভোটার ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন। কোনোভাবেই এই সত্য মুছে ফেলা যাবে না। দেশের মানুষের অভিপ্রায় হচ্ছে সংবিধানের ভিত্তি। এটাই শেষ কথা। এই অভিপ্রায় অস্বীকার করার অর্থ হচ্ছে, জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ও পদার্থবিদ ড. সালেহ হাসান নকীব।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে ফেসবুকের এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

অধ্যাপক নকীব বলেন, ইন্টেরিম গভর্নমেন্ট ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে প্রচারণা করেছে। করতেই হবে। ইন্টেরিম গভর্নমেন্ট ছিল ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের ফসল। এই গণঅভ্যুত্থানের সব আকাঙ্খা তাদের ধারণ করতে হবে। সেই জায়গা থেকেই ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষ নেওয়া। বড় রাজনৈতিক দলগুলো প্রকাশ্যে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষ নিয়েছে। এখন কথা পাল্টানো যাবে না।

9d311f9b-734f-4abe-951b-5f206964ee4a

সংবিধানে গণভোটের প্রভিশান নেই। এটাও যোগ করতে হবে। সংসদে থার্ড রেইট পলিটিশিয়ানদের আধিক্য। শুধুমাত্র এদের হাতে দেশ ছাড়া যাবে না। যেকোনো বড় পরিবর্তনের জন্য দেশের মালিক, আপামর মানুষের মতামত নিতে হবে। গণভোট নেই, গণভোট যুক্ত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যখনই শুনবেন ‘পবিত্র সংবিধান’ নিয়ে কথা হচ্ছে, তখনই বুঝবেন ধান্দাবাজ। সংবিধানের একটি লাইনও পবিত্র নয়। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা। প্রয়োজনে শতবার সংবিধানে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু প্রত্যেক পরিবর্তন হতে হবে দেশ এবং দেশের মানুষের স্বার্থে। দলীয় স্বার্থের সঙ্গে সংবিধান মেলানো হচ্ছে প্রতারণা এবং ছোটলোকি।

আরও পড়ুন

‘অধ্যাদেশ বাতিল করে পতিত স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটছে সরকার’

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বিষয় মোটেই কঠিন নয়। বুদ্ধি-বিবেক ঠিক থাকলে রাজনৈতিক দলগুলোর নিজ স্বার্থেই এসব নিয়ে ‘তেনা প্যাচানো’ বন্ধ করতে হবে। পাগলেও নাকি নিজের ভালো বোঝে, সংসদের কিছু ধান্দাবাজ দেখলে এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। গণমানুষের রায় মেনে নিন। তাতেই সবার জন্য কল্যাণ।

প্রতিনিধি/এসএস