নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
ঢাকা কলেজের দুই শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় রমযান পরিবহনের ১৪টি বাস আটক করা হয়। পরে শিক্ষার্থী ও পরিবহন মালিকের মধ্যে ছয় শর্তে সমঝোতা হয়।
শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে উভয় পক্ষের সমঝোতায় বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।
আহত শিক্ষার্থী হলেন-কাজী রাসেল (২২) ও মো. মেহেদী হাসান তাজিম (২২)।
সমঝোতায় উল্লেখ করা হয়, পিজি হাসপাতালের সামনে শনিবার সকাল ৮টা ২০ মিনিটে ঢাকা কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে রমযান পরিবহনের বাস চালক ও তার সহকারীর ভাড়া নিয়ে তর্কাতর্কি হয়। এর একপর্যায়ে তারা মাথা ও ঘাড়ে রড দিয়ে আঘাত করেন। দুই শিক্ষার্থীকে পিজি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা রমযান পরিবহনের ১৪টি বাস আটক করে কলেজের পাশে নাইমের গলিতে নিয়ে যায়। পরে আলোচনার পর ছয় শর্তে সমঝোতা হয়।
শর্তগুলো হলো-
১। আহত দুই শিক্ষার্থীর চিকিৎসার সব খরচ মালিক বহন করবেন।
২। আহত শিক্ষার্থীদের ভাঙচুরকৃত মোবাইল ফোন মেরামত করা হবে।
৩। কাজী রাসেল আহত থাকার সময়ে শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন কর্তনের ক্ষতিপূরণ মালিক বহন করবেন।
৪। অভিযুক্ত বাসচালক ও তার সহকারীকে চাকরিচ্যুত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৫। ভবিষ্যতে এই ধরণের অনাকাঙিক্ষত ঘটনা এড়ানোর জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
৬। জব্দ করা বাসগুলো অক্ষত অবস্থায় মালিক পক্ষকে বুঝিয়া দেওয়া হয়েছে।
নিউমার্কেট থানার ওসি মাহফুজুর রহমান বলেন, ছাত্র পক্ষ ও মালিকপক্ষ উভয়ই কিছু শর্ত সাপেক্ষে আপোষ করেছে। আমাদের মধ্যস্থতায় সে বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
এসএইচ