images

শিক্ষা

বিএসএফের হত্যার বিচারে আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ার দাবি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

০৭ জানুয়ারি ২০২৫, ০৯:১২ পিএম

বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজু ভাস্কর্য বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাবি শিক্ষার্থীরা বিএসএফের সব হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে আন্তর্জাতিক আদালতে দোষীদের বিচার দাবি করেন।

এসময় বিক্ষোভ মিছিলে প্রতিবাদসূচক ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা, ‘ভারতীয় আগ্রাসন ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘ঢাকায় এবার উঠলো ডাক, বিএসএফ নিপাত যাক’, ‘ফেলানী স্বর্ণা জয়ন্ত, হত্যা চলছে অনন্ত’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতীয় আগ্রাসনের বহিঃপ্রকাশ হলো সীমান্ত হত্যা। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে দুই হাজারের অধিক সীমান্ত হত্যা হয়েছে। বাংলাদেশ ভারত নতজানু পররাষ্ট্রনীতির জন্য আমরা এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার সুষ্ঠু  পাইনি। বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষা বাহিনী (বিজিবি) শুধু পতাকা বৈঠক করে  নিহত বাংলাদেশিদের লাশ নিয়ে আসার কাজেই নিয়োজিত। বিজিবিকে আগের সেই শক্তি ফিরিয়ে দিতে হবে যাতে তারা ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রক্তচক্ষু দেখিয়ে সীমান্তে অবস্থান করতে পারে। নতুবা বিজিবিকে পুনরায় বাংলাদেশ রাইলফেলসকে (বিডিআর) জাগ্রত করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী ও সাবেক সমন্বয়ক তাহমিদ আল মুদ্দাস্সির বলেন, আমরা বাংলাদেশ সীমান্তে হওয়া প্রতিটি হত্যার বিচারের দাবি নিয়ে এসেছি। বিগত সময়ে বর্ডার গার্ডকে বস্তুত সীমান্তের দারোয়ান হিসেবে রাখা হয়েছে, যে দারোয়ানের কোনো কর্তৃত্ব নাই। আমরা সীমান্তরক্ষীদের ক্ষমতায়নের জন্য এসেছি  আমাদের সীমান্ত রক্ষীদের হারানো ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাহিন সরকার বলেন, অন্তর্বতীকালীন সরকারকে আমরা বলতে চাই, মেরুদণ্ড নিয়ে চলুন৷ আমরা একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি চাই আপনাদের থেকে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ভারত সরাসরি যুক্ত ছিল। দেশপ্রেমিক সেনাদের হত্যার পর বাংলাদেশে তারা পুতুল সরকার হাসিনার মাধ্যমে তাদের আগ্রাসনের শিকার বানিয়েছিল। তারা আমাদের সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশিদের লাশ আর মাদক ছাড়া কিছু দেয়নি।

আরএ/জেবি