নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
রাজধানীর বাজারে একই বেগুনের দামে বেশ পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। গোল বেগুনের তুলনায় লম্বা বেগুন মিলছে কম দামে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মিরপুর, কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়ার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়। অন্যদিকে লম্বা বেগুনের দাম ১০০ টাকা কেজি।
এদিকে প্রতি কেজি পটল ৭০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, ফুলকপি ছোট আকারের প্রতিটি ৭০ টাকা এবং পেঁপে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কচুর লতি ও ঝিঙা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি। একই দামে মিলছে চিচিঙ্গাও।
এ ছাড়া করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ধুন্দুল ৮০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০ টাকা এবং কাঁকরোল ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বরবটির দাম কেজিতে ১০০ টাকা। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি। বাজারে লাউ প্রতি পিস ৭০ টাকা, জালি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা এবং লেবু প্রতি হালি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতারা বলছেন, একাধিক সবজির দাম তুলনামূলক বেশি থাকায় বাজারের মোট খরচ বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে শিম, গোল বেগুন ও গাজরের মতো সবজির দাম বেশি হওয়ায় সীমিত আয়ের মানুষের জন্য পছন্দমতো সবজি কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে অনেকে বেশি দামের সবজি কম কিনে অপেক্ষাকৃত কম দামের সবজি দিয়ে প্রয়োজন মেটাচ্ছেন।
মিরপুর কাঁচাবাজারে বাজার করছিলেন সাজেদুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাজারে সবজির দাম একেকটির একেক রকম। লম্বা বেগুনের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় সেটিই নেওয়া হচ্ছে। তবে শিম, গোল বেগুন ও গাজরের মতো কয়েকটি সবজির দাম বেশি হওয়ায় সব মিলিয়ে বাজার খরচ কমছে না।

বিক্রেতারা জানান, সবজির দাম মূলত সরবরাহ ও আড়তদরের ওপর নির্ভর করে প্রতিদিনই কিছুটা ওঠানামা করে। যে সবজির সরবরাহ কম থাকে, সেগুলোর দাম তুলনামূলক বেশি হয়। আবার সরবরাহ বাড়লে দামও কিছুটা কমে আসে।
এদিকে একই বাজারে একই সবজির ক্ষেত্রেও বিক্রয়স্থলভেদে দামের পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। বাজারের ভেতরের দোকানের তুলনায় রাস্তার পাশের ভ্যানের বিক্রেতাদের কাছে কিছু সবজি বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
এএইচ/এআরএম