জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৮ পিএম
নতুন আমদানি নীতি আদেশের আওতায় শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে আমদানির শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে নির্ধারিত মূল্যসীমা বিবেচনা না করেই আমদানিযোগ্য সব ধরনের শিল্প ও বাণিজ্যিক পণ্য ঋণপত্র (এলসি) না খুলে ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে আমদানি করা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বৈদেশিক মুদ্রা বিধিবিধান যথাযথভাবে পরিপালন করতে হবে। নতুন আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ অনুযায়ী এ সুবিধা কার্যকর হবে।
এ বিষয়ে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে এডি ব্যাংকগুলোকে ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নতুন আমদানি নীতি আদেশ অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আমদানি মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে ‘ওপেন অ্যাকাউন্ট’ পদ্ধতিতে বিল পরিশোধের সুযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে আমদানিকারকেরা আমদানি দায় পরিশোধে আরও নমনীয়তা পাবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯-এর অনুচ্ছেদ ২৫-এর আওতায় রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের মাধ্যমে স্থানীয় উৎস থেকে স্থানীয় মুদ্রায় উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করতে পারবে। ফ্রি-অফ-কস্ট ভিত্তিতেও এসব উপকরণ সংগ্রহের সুযোগ থাকবে।
এ ছাড়া উৎপাদন উপকরণ আমদানি ও সংগ্রহের ক্ষেত্রে বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থার প্রযোজ্যতা নিয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, নতুন আমদানি নীতি কাঠামোর সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনাকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করা, বাণিজ্য লেনদেনে নমনীয়তা বাড়ানো এবং সরলীকৃত সংগ্রহ ও মূল্য পরিশোধ ব্যবস্থার মাধ্যমে রপ্তানিমুখী শিল্পখাতকে সহায়তা করাই এসব নির্দেশনার লক্ষ্য।
টিএই/এএস