Dhaka Mail Logo

অর্থনীতি

শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা ৮১ টন কাগজ জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৩:২৭ পিএম

বন্ড সুবিধার আওতায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা প্রায় ৮১ টন ডুপ্লেক্স বোর্ড নির্ধারিত গন্তব্য খুলনায় না নিয়ে পুরান ঢাকার নয়াবাজারে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল। এ সময় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের (সিআইডি) অভিযানে একটি ট্রাক আটক করা হয়েছে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা ডুপ্লেক্স বোর্ডের চালানগুলো চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খুলনায় নেওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত রুট অনুযায়ী কাঁচপুর–সাইনবোর্ড–পোস্তগোলা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে পদ্মা সেতু দিয়ে এসব পণ্য খুলনায় পৌঁছানোর কথা।

তবে ১০টি ট্রাকের বহরটি নির্ধারিত পথ অনুসরণ না করে পুরান ঢাকার নয়াবাজার এলাকায় প্রবেশ করে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টমস কর্মকর্তারা জানতে পারেন, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা এসব কাগজ নয়াবাজারের একটি আড়তে বিক্রির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।

পরে ওই তথ্যের ভিত্তিতে নয়াবাজার এলাকায় অভিযান চালায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের কর্মকর্তারা। অভিযানের সময় কাস্টমস গোয়েন্দাদের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি ট্রাক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তবে বিক্রির প্রস্তুতির সময় আরেকটি ট্রাক আটক করতে সক্ষম হন কর্মকর্তারা।

জব্দ ট্রাকে বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা ডুপ্লেক্স বোর্ড পাওয়া যায়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পুরো বহরে প্রায় ৮১ টন কাগজ ছিল।

কাস্টমস গোয়েন্দা জানিয়েছে, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা পণ্য সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানে উৎপাদন কাজে ব্যবহারের কথা। কিন্তু এসব পণ্য নির্ধারিত গন্তব্যের বাইরে নিয়ে খোলা বাজারে বিক্রি করা হলে শুল্ক-কর ফাঁকির সুযোগ তৈরি হয়।

ঘটনাটি তদন্ত করছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। জব্দ পণ্যের সঠিক পরিমাণ, আমদানিকারক, সংশ্লিষ্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, বন্ড সুবিধায় পণ্য আমদানির নথিপত্র এবং সম্ভাব্য শুল্ক-কর ফাঁকির পরিমাণ যাচাই করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা।

এম/এমআই