বেসরকারি খাতে জ্বালানি তেল আমদানিতে আপত্তি না থাকলেও বাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকারি তিন তেল বিপণন কোম্পানি পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েলকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জ্বালানি তেল আমদানির অনুমতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোরে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি তিন তেল বিপণন কোম্পানির নিজস্ব আমদানি ও বিপণন অবকাঠামো রয়েছে। তাই তাদের পৃথকভাবে সরাসরি জ্বালানি তেল আমদানির অনুমতি দেওয়া হলে বেসরকারি খাতে আমদানি ও বিপণন কার্যক্রমের ওপরও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব হবে। এতে জ্বালানি তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে এবং কোনো পক্ষ সিন্ডিকেট করে ভোক্তাদের জিম্মি করার সুযোগ পাবে না।
সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, সরকার অর্থনৈতিক কারণে জ্বালানি তেল আমদানিতে সমস্যায় পড়লে দেশের পেট্রোল পাম্প মালিকেরা প্রয়োজনে তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানিকে অগ্রিম অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্যাংকও এসব কোম্পানিকে জ্বালানি তেল আমদানিতে অর্থায়ন করতে আগ্রহী বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, সরকারি তিন তেল বিপণন কোম্পানিকে আমদানির সুযোগ দিলে অর্থের অভাবে জ্বালানি তেল আমদানি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা কমবে। পাশাপাশি বেসরকারি খাতের আমদানিকারকেরাও প্রতিযোগিতার মধ্যে থাকবে এবং কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরির সুযোগ কমে আসবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের আমদানি কার্যক্রম সমন্বিতভাবে পরিচালিত হলে দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্য বজায় থাকবে। এতে একদিকে যেমন জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশও বজায় থাকবে।
এ বিষয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানান সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল।
এমআর/এআর