নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০১ পিএম
রাজধানীর কাঁচাবাজারে বেশিরভাগ সবজির দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেগুন, টমেটো, গাজর ও কাঁচামরিচের উচ্চমূল্য ক্রেতাদের অস্বস্তিতে ফেলেছে। এসব পণ্যের কেজি ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। তবে পেঁপে, পটল, ঢেঁড়শ, কুমড়া ও আলুর মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় বেশ কিছু সবজির দাম তুলনামূলক কম থাকায় বাজারে কিছুটা স্বস্তিও রয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, মৌসুমি সরবরাহ ও উৎপাদন পরিস্থিতির কারণে কিছু পণ্যের দাম বেশি থাকলেও বেশিরভাগ সবজির বাজার এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, পেঁপে প্রতি কেজি ২০ টাকা, পটল ২০ থেকে ৩০ টাকা, ঢেঁড়শ ৩০ টাকা, কাঁকরোল ৪০ টাকা, কুমড়া ৪০ টাকা এবং আলু ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লালশাক ২০ টাকা এবং চিচিঙ্গা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে টমেটো, বেগুন ও গাজরের কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। করলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। ধনেপাতার দাম সবচেয়ে বেশি, প্রতি কেজি ৪০০ টাকা। এছাড়া পেঁয়াজ ৫০ টাকা এবং রসুন ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ডিমের দামও চড়া রয়েছে। লাল ডিমের ডজন ১৩০ টাকা, সাদা ডিম ১২০ টাকা এবং হাঁসের ডিম ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কারওয়ান বাজারে বাজার করতে আসা মিজানুর রহমান বলেন, অনেক সবজির দাম কমেছে, এটা ভালো খবর। কিন্তু বেগুন, টমেটো, গাজর আর মরিচের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। একসঙ্গে সবকিছু কিনতে গেলে বাজেট সামলানো কঠিন হয়ে যায়।
একই বাজারের সবজি বিক্রেতা আব্দুস সালাম বলেন, বর্তমানে বেশিরভাগ সবজির সরবরাহ ভালো। তাই পটল, পেঁপে, ঢেঁড়শ ও কুমড়ার দাম কম। তবে টমেটো, গাজর ও মরিচের সরবরাহ তুলনামূলক কম থাকায় দাম বেশি রয়েছে।
বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্ষা মৌসুমে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে আগামী সপ্তাহগুলোতে আরও কিছু সবজির দাম কমতে পারে। তবে উচ্চমূল্যের পণ্যগুলোর দাম না কমলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের স্বস্তি পুরোপুরি ফিরবে না।
এমআর/এএস